বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মরদেহ আজ বুধবার বেলা ১১টা ০৪ মিনিটে জাতীয় পতাকায় মোড়ানো গাড়িতে করে গুলশান থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের দিকে নেওয়া হয়েছে। মরদেহবাহী গাড়ি তারেক রহমানের ১৯৬ নম্বর গুলশান বাসা থেকে বের হয়ে জানাজার জন্য নির্ধারিত স্থানে পৌঁছেছে।
গাড়িবহরে শুধু জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিন নয়, বরং লাল-সবুজ রঙের বিশেষ বাসও যুক্ত রয়েছে। খালেদা জিয়ার পরিবার ও বিএনপির শীর্ষ নেতারা এ গাড়িবহরে অবস্থান করেছেন। বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী ও অন্যান্য পরিবারের সদস্যরা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রাও মরদেহবাহী গাড়িতে উপস্থিত ছিলেন। জানাজার পর তাঁকে দাফন করা হবে স্বামীর, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে।
জনসাধারণ ও দলের নেতা-কর্মীরাও সকাল থেকেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে জড়ো হতে শুরু করেছেন। সকাল সাড়ে দশটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের মাঠ, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের মূল সড়ক ও ফার্মগেটের খামারবাড়ি এলাকার মোড়ে বিশাল ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
নিম্নে গাড়িবহরের ও উপস্থিতদের তথ্য সংক্ষেপে টেবিল আকারে উপস্থাপন করা হলো:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| মরদেহ বহনের সময় | ১১:০৪ মিনিট, বুধবার |
| প্রস্থানস্থল | গুলশান অ্যাভিনিউ, ১৯৬ নম্বর বাসা |
| মরদেহবাহী যান | জাতীয় পতাকায় মোড়ানো গাড়ি ও লাল-সবুজ রঙের বাস |
| উপস্থিত পরিবারের সদস্য | তারেক রহমান, জুবাইদা রহমান, জাইমা রহমান, আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী, অন্যান্য |
| বিএনপির শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতি | স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অন্যান্য ঘনিষ্ঠ নেতা |
| জানাজা ও দাফনের স্থান | মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও স্বামীর কবরের পাশে |
| জনসমাগম | সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে বড় পরিসরে মানুষ জড়ো |
জানাজার পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া, সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে স্বেচ্ছাসেবক ও দলের কর্মীরাও বিভিন্ন স্থানে দায়িত্ব পালন করছেন।
এভাবে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষ খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হয়েছেন। জানাজা শেষে তাকে শান্তিপূর্ণভাবে দাফন করা হবে, যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে ধরা হবে।
