পড়ে গিয়ে পা ভাঙল চট্টগ্রামের এসপি, ঢাকায় নেওয়া হলো

চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে সরকারি বাসভবনের ওয়াশরুমে পড়ে গিয়ে গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। ঘটনায় তার বাম পা মারাত্মকভাবে ভেঙে যায়। চট্টগ্রাম নগরের সিআরবি এলাকায় অবস্থিত এসপি বাংলোয় এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে বাসার কর্মচারীরা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল-এ নেন।

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) সিরাজুল ইসলাম আমাদের প্রতিনিধি কে বলেন, “সকালে ওয়াশরুমে পা পিছলে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। পা ভেঙে যাওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।”

ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দুপুরে হেলিকপ্টারে করে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল (নিটোর)-এ পাঠানো হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এসপির পায়ের ভাঙন জটিল হওয়ায় তৎক্ষণাৎ অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।

এই দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ও চিকিৎসা ব্যবস্থায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এসপি মোহাম্মদ নাজির আহমেদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি স্থিতিশীল, তবে ডাক্তাররা তাকে পর্যবেক্ষণে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

নিচের টেবিলটি আহত এসপির চিকিৎসা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

বিষয়বিবরণ
নামমোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান
পদবিপুলিশ সুপার, চট্টগ্রাম জেলা
দুর্ঘটনার স্থানএসপি বাংলো, সিআরবি, চট্টগ্রাম
দুর্ঘটনার সময়সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, সকাল
আঘাতের ধরনবাম পায়ের মারাত্মক ভাঙন
প্রাথমিক চিকিৎসাচট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল
উন্নত চিকিৎসাজাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল (নিটোর), ঢাকা
পরিবহনহেলিকপ্টার, শাহ আমানত বিমানবন্দর থেকে ঢাকা
বর্তমান অবস্থাস্থিতিশীল, পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে

চট্টগ্রাম পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ মূলত ওয়াশরুমের মেঝের ভেজা হওয়া এবং তাতে পা ফসকে যাওয়া। তারা বাড়িতে আরও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

নাগরিকদের স্বস্তির জন্য উল্লেখযোগ্য, যে এসপি মোহাম্মদ নাজির আহমেদের চিকিৎসা সম্পূর্ণ সরকারি ব্যবস্থাপনায় করা হচ্ছে এবং তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে দায়িত্বে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এই দুর্ঘটনা চট্টগ্রাম পুলিশের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবেও ধরা হচ্ছে, যেখানে নিরাপত্তা ও কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে বিশেষ মনোযোগের প্রয়োজন রয়েছে।