নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মাসুম মোস্তফার ব্যবহৃত গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পূর্বধলা উপজেলার গিরিপথ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে গাড়িটি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা গেছে।
Table of Contents
ঘটনার সময় ও অবস্থান
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় সংসদ সদস্য মাসুম মোস্তফা গাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি গাড়ি থেকে নেমে দূরে অবস্থান করছিলেন। গাড়িটি জ্বালানি নেওয়ার জন্য গিরিপথ এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়েছিল।
সূত্র অনুযায়ী, গাড়িচালক জ্বালানি নেওয়ার উদ্দেশ্যে ফিলিং স্টেশনে প্রবেশ করেন। ওই সময় গাড়িটি স্টেশনের ভেতরে অপেক্ষমাণ ছিল। গাড়িচালক ভেতরে গেলে অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা গাড়িটিতে হামলা চালায় এবং ভাঙচুর করে।
ঘটনাস্থলে পুলিশি ব্যবস্থা
ঘটনার খবর পেয়ে পূর্বধলা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং সংসদ সদস্য মাসুম মোস্তফাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক করা যায়নি। হামলার কারণ সম্পর্কেও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
থানার বক্তব্য
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিদারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সংসদ সদস্যের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং পরে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
ঘটনার সারসংক্ষেপ
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| ঘটনার স্থান | গিরিপথ ফিলিং স্টেশন, পূর্বধলা, নেত্রকোনা |
| ভুক্তভোগী | মাসুম মোস্তফা (নেত্রকোনা-৫, সংসদ সদস্য) |
| ঘটনা | গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর |
| সময় | ২৪ এপ্রিল, শুক্রবার সন্ধ্যা |
| এমপির অবস্থান | ঘটনাস্থলে ছিলেন না |
| চালকের অবস্থান | ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নেওয়ার সময় ভেতরে ছিলেন |
| আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপ | ঘটনাস্থলে পৌঁছে এমপিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া |
| তদন্ত অবস্থা | প্রাথমিক পর্যায়ে |
তদন্ত ও বর্তমান পরিস্থিতি
ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। কে বা কারা এ হামলার সঙ্গে জড়িত তা এখনো শনাক্ত করা যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন এবং হামলাকারীদের শনাক্তে কাজ চলছে।
বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
