নেতাকর্মীদের জেলে নিয়ে আন্দোলনকে স্তব্ধ করা যাবে না : মির্জা ফখরুল

নেতাকর্মীদের জেলে নিয়ে আন্দোলনকে স্তব্ধ করা যাবে না : মির্জা ফখরুল। বিএনপি মহাসচিব বলেন, সম্পূর্ণ সাজানো একটি মামলায় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তার সহধর্মীনি ডা. জোবাইদা রহমানকে বেআইনি অন্যায়ভাবে এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সাজা দেওয়া হয়েছে।  তিনি অভিযোগ করেন, মাত্র ১৬ কার্যদিবসে ৪২জন স্বাক্ষির স্বাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে সর্ম্পূণ এক তরফাভাবে রায় ঘোষণা করেছে। এখানে আতপক্ষ সর্মথনের কোনো সুযোগ ছিলো না। এই একতরফা রায় ঘোষণা করে তারা ভেবেছে আমাদের যে একদফার দাবি থেকে দূরে রাখতে চায়। 

নেতাকর্মীদের জেলে নিয়ে আন্দোলনকে স্তব্ধ করা যাবে না : মির্জা ফখরুল

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। কর্মসূচি ঘোষণা করে তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরের প্রতিবাদ সমাবেশ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেন, এই সরকার ক্ষমতায় আসার প্রথম থেকেই তারা আদালতকে ব্যবহার করছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়টি নিয়ে যে গভীর রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে। এই সংকট তৈরি হয়েছে আদালত থেকে। খায়রুল হককে রায়কে অনৈতিকভাবে পাল্টে দিয়ে। জাতিকে চিরস্থায়ীভাবে সংহিতা ও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। 

তিনি বলেন, গণমাধ্যম তাদের ইচ্ছে মতো ব্যবহার করছে। বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে তারা জনগণের যে মৌলিক অধিকার, গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার সেগুলোকে তারা পুরোপুরি হরণ করে নিয়েছে। সেই সংগ্রামকে স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য তারা বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে চরমভাবে হয়রানি, নির্যাতন নিপীড়িনের শিকার করছে গণতন্ত্রকামি মানুষের। 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য পনুরুদ্ধারের জন্য ৯বছর নেতৃত্ব দিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে একটি মিথ্যা মামলা সাজিয়ে কারাগারে রাখা হয়েছে। একই মামলায় তাদের অনেকে খালাস হয়েছে এবং মন্ত্রীত্বও করেছেন।  

তিনি বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা ছিলো। সেই মামলাগুলো কৌশলে বিভিন্নভাবে বিচারক নিয়োগ দিয়ে আদালতেই তারা খারিজ করে দিয়েছেন। ফ্যাসিবাদকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তারা বিচারবিভাগকে ব্যবহার করছে। আমাদের এমপি ছিলেন হাবিবুর রহমান তাকে ৭০ বছর জেল দিয়েছে। ঈশ্বরদির মিন্টুসহ ৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। 

মির্জা ফখরুল বলেন, এসব ঘটনাগুলোকে তারা মিডিয়ার মাধ্যমে এমনভাবে প্রচার করছে যেন এটাই সত্য। বাকিগুলো সব অসত্য।  বাংলাদেশের অস্তিত্বের প্রশ্নে দেশের জনগণ যে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়েছে। তাদের লক্ষ্য একটাই বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বিলুপ্ত চেয়েছে। ঠিক সেই সময়ে  সমগ্র জাতিকে তিনি ঐক্যব্ধভাবে করেছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং একেবারেই অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তার সহধর্মীনি ডা. জোবাইদা রহমানকে সাজা দিযে একটাই লক্ষ্য এই আন্দোলননকে স্তব্ধ করে দেওয়া। আন্দোলনকে কিছুটা ধীর গতিতে, স্তমিত করা।

Leave a Comment