জাতীয় নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা ব্যবহার হচ্ছে না। ২৪ সেপ্টেম্বর ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত খসড়া তালিকা ইসিতে জমা দেবে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি। ৩০০ আসনে প্রায় চার লাখ ভোটকেন্দ্র বাছাই করতে হবে ইসিকে। এছাড়া ইসি বলছে দ্বাদশ নির্বাচনে রাতে সিল মারা ঠেকাতে বেশিরভাগ কেন্দ্রে সকাল-সকাল ব্যালট পেপার পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
রোববার রাজধানীর নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর এ কথা বলেন।

জাতীয় নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা ব্যবহার হচ্ছে না
তিনি বলেন, ব্যালটে নির্বাচনে যাতে কোনো রকম অপব্যবহার না হতে পারে, সে জন্য আমাদের কিছু কৌশল আছে, সেগুলো আমরা প্রয়োগ করার চেষ্টা করব। যেগুলোতে সকালে ব্যালট পেপার পাঠানো সম্ভব সেগুলোকে চিহ্নিত করা এবং যেখানে পাঠানো সম্ভব নয়, সেখানে আমরা বিশেষ ব্যবস্থায় রাতে ব্যালট পেপার পাঠাব, পথে যেন মিসইউজ বা ছিনতাই না হতে পারে।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক এই ইসি সচিব বলেন, এতগুলো কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে তা দেখা কঠিন। সেক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বিশেষ ব্যবস্থা… আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বেশি সদস্য নিয়োগ করব। সবগুলো রাজনৈতিক দল যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে, সেখানে এমনিতেই একটা ভারসাম্য থাকে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়ে বরং তারাই শৃঙ্খলা রক্ষায় একটা ভূমিকা নেয়। কারণ তারা জানেন যে, নির্বাচনে যদি কোনো পরিস্থিতির অবনতি হয় বা ভণ্ডুল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের বিষয় নিয়ে কোনো চাপ আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, এ বিষয়ে কোনো চাপ নেই। বিদেশি পর্যবেক্ষক যত খুশি আসতে পারে। আমাদের পক্ষ থেকে কোনো লিমিটেশন নেই। তারা আমাদের কাছে আবেদন করলে সেটা পাঠিয়ে দেই পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে।