নিজাম উদ্দিন হাজারী । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

নিজাম উদ্দিন হাজারী (জন্ম: ১লা জানুয়ারি ১৯৬৬) হলেন ফেনী জেলায় বসবাসকারী একজন রাজনীতিবিদ ও সংসদ- সদস্য। তিনি বাংলাদেশের দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ আসন থেকে নির্বাচিত হন।

নিজাম উদ্দিন হাজারী । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

নিজাম উদ্দিন হাজারী । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

প্রাথমিক জীবন

নিজাম হাজারী ১৯৬৬ সালের ১লা জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম কমিশনার জয়নাল আবেদীন। ফেনীর হাজারী বাড়ি সাবেক এমপি জয়নাল হাজারীর নানার বাড়ি। সেই হিসাবে তিনি জয়নাল হাজারীর দূর সম্পর্কের মামাত ভাই। তিনি চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ এর প্রাক্তন ছাত্র।

রাজনৈতিক জীবন

নিজাম হাজারী চট্টগ্রাম কমার্স কলেজের ছাত্র থাকাকালীন সময়ে চট্টগ্রামের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিনের ছত্রছায়ায় রাজনীতিতে জড়িয়ে পরেন। চট্টগ্রাম থেকেই তিনি এইচ.এস.সি এবং বি.কম. পাস করেন। তিনি চট্টগ্রাম মহানগরস্থ ডবলমুরিং থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় যুবলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯২ সালের ২২ মার্চ তিনি প্রথম কারাগারে যান।

 

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

 

তিনি ২০১১ সালের ১৮ জানুয়ারির নির্বাচনে ফেনী পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। ২০১২ সালে তিনি ফেনী জেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ আসন থেকে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ- সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজাম হাজারী আওয়ামী লীগের মনোনয়নে আবারও সংসদ -সদস্য নির্বাচিত হন।

সংসদ সদস্য

সংসদ -সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ -সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

 

নিজাম উদ্দিন হাজারী । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

পরিচিতি

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ -সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ -সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন। বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ -সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ -সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment