নতুন মন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত ৫০টি গাড়ি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকারে আসা নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য ৫০টি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য শপথ অনুষ্ঠান আগামী ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শপথের তারিখ এর চেয়ে আগেও নির্ধারিত হতে পারে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, নতুন মন্ত্রীদের জন্য গাড়ি প্রস্তুত রাখা মানে মোট মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ঠিক ৫০—এ সীমাবদ্ধ নয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি কর্মকর্তা বলেন, “মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা থেকে বেশি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়। অধিকাংশ মন্ত্রী গাড়ি নেন, তবে কেউ কেউ প্রয়োজন মনে করলে গাড়ি নেন না।”

গত ৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, “ক্ষমতা হস্তান্তর সবথেকে দ্রুত সময়ে সম্পন্ন হবে। যদি দেখা যায় সংসদ সদস্যরা তিন দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ করেছেন, তখন সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের লিডারকে ডেকে শপথগ্রহণ করানো হবে। এটি ১৫ কিংবা ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্তও হতে পারে। আমার মনে হয় না, এটি ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে হবে।”

নতুন মন্ত্রিসভার জন্য প্রস্তুত গাড়ি এবং সম্ভাব্য শপথের তারিখ সম্পর্কিত তথ্য নিচের টেবিলে সংক্ষেপে দেওয়া হলো:

বিষয়তথ্য
মোট প্রস্তুত গাড়ি৫০টি
সম্ভাব্য শপথ তারিখ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারি
শপথের পূর্বাভাস১৫–১৬ ফেব্রুয়ারিতেও হতে পারে
দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থামন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
বিশেষ মন্তব্যসব গাড়ি ব্যবহার হবে না; প্রয়োজনমতো মন্ত্রী ব্যবহার করবেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ নির্ধারিত হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরই মন্ত্রিসভা গঠন প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং নতুন প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা মনে করছেন, শপথ অনুষ্ঠান দ্রুত সম্পন্ন করতে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। গাড়ি প্রস্তুতির পাশাপাশি নিরাপত্তা ও আনুষ্ঠানিক আয়োজন নিশ্চিত করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। শপথের পর নতুন মন্ত্রিসভার কার্যক্রম শুরু হলে, দেশের বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমও দ্রুত গতিতে পরিচালিত হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্রের মতে, নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সময়ে সরকার সংক্রান্ত যেকোনো প্রস্তুতি—যেমন অফিস স্থাপনা, গাড়ি, নিরাপত্তা, প্রটোকল—সবই সময়মতো সম্পন্ন করা হবে। ফলে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা স্বাচ্ছন্দ্যে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারবেন।