এক বছরের ব্যবধানে দেশে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে ৩৩ শতাংশ । মঙ্গলবার (৯ মে) রাতে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মার্কিন সরকারের বৈদেশিক সাহায্য সংস্থা ইউএসএআইডির অর্থায়নে জরিপটি পরিচালিত হয়।
ওই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে এ হার ছিল ৮ শতাংশের বেশি। খাদ্যের চড়া দাম প্রায় সব নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দরিদ্র ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে এবং খাদ্য খাতে ব্যয় বেড়েছে।
দেশে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে ৩৩ শতাংশ , এক বছরের ব্যবধানে
ইউএসএআইডির অর্থায়নে পরিচালিত এক জরিপ প্রতিবেদনের উল্লেখ করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের আগস্টে বাংলাদেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৯ শতাংশে উঠেছিল। এরপর তা গত জানুয়ারি পর্যন্ত কমলেও ফেব্রুয়ারি ও মার্চে আবার বেড়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে গত এপ্রিলে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার কমে ৮ দশমিক ৪ শতাংশ হয়েছে। এ নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেছেন রোজা ও ঈদের কারণে গত এপ্রিলে পণ্যমূল্য বেড়েছে। তার পরও খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার কীভাবে কমল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যেসব দেশ খাদ্যসামগ্রী আমদানি করে ওইসব দেশে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতির হার বেশি হচ্ছে। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। এসব পণ্য আমদানির মাধ্যমে দুদিক থেকে মূল্যস্ফীতি হচ্ছে। একদিকে বেশি দামে খাদ্য কেনার দেশে এগুলোর দাম বাড়ছে। অন্যদিকে বেশি দামে আমদানি করায় ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রার মান কমে যাচ্ছে। এতে দুদিক থেকে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ভোক্তার ওপর চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে। এর প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে দরিদ্র শ্রেণির ভোক্তারা।