পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেছেন, দেশের পুরো চালের বাজার প্রতারণামূলক। দেশের প্রতারণামূলক চালের ‘বাজার, কেননা যে নামে চাল তৈরি হয় তা ব্যাগের ভেতরে থাকে না। মোটা স্বর্ণা চাল চিকন করে পুষ্পমতি নামে বিক্রি করা হয়। আরও অনেক মোটা চাল চিকন করে ভিন্ন নামে বিক্রি করা হয়।
দেশের প্রতারণামূলক চালের বাজারের কথা জানালেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
যে নামে ধান সেই নামে চাল বিক্রি করতে হবে। চালের’ বাজারে প্রতারণা চলতে দেওয়া যায় না। এটা বন্ধ করতে হবে। এজন্য বাজার ব্যবস্থাকে সংস্কার করতে হবে। এখানে সরকারকে হাত দিতে হবে। এরকম প্রতারণা বন্ধে প্রয়োজনে নতুন আইন করে তা বাস্তবায়ন করা দরকার। জাতের বাইরে যেন অন্য কোনো নামে বাজারে চাল না থাকে।

চালের’ বাজার নিয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করে পরিকল্পনা ‘প্রতিমন্ত্রী বলেন, চালের ‘বাজারে ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা চলছে। বস্তার গায়ে লেখা চাল থাকে না বস্তার ভেতরে। এমনকি দামের ক্ষেত্রেও মিল পাওয়া যায় না।
এসব অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীদের শাস্তির আওতায় আনারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ড. শামসুল আলম বলেন, ‘স্বর্ণা চালকে চিকন করে পুষ্পমতী নাম দিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। এটি তো প্রতারণার শামিল। মোটা চালকে ৩-৪ স্তরে পলিশ করে চিকন করা হয়। এতে চালের অপচয়ের পাশাপাশি পুষ্টিমানও কমে যাচ্ছে। আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, ভোক্তারা প্রতারিত হচ্ছেন। কাজেই আমার মনে হয়, বাজারে কিছু সংস্কার প্রয়োজন।’
এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরাসরি না হলেও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের প্রভাব নিত্যপণ্যের বাজারে পড়বে। তিনি বলেন, ‘আমরা ভালো পথেই আছি। আর সুন্দরভাবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে। আমাদের অনেক শাসনগত সমস্যা থাকতেই পারে এবং তা থাকবেই। তারপরও অর্থনৈতিক অবস্থায় আমরা দক্ষতা দেখিয়েছি, অন্তত করোনাকালে।’

কাগজে-কলমে মূল্যস্ফীতি কমলেও জীবনযাত্রার ব্যয় আর আগের অবস্থানে নেয়া সম্ভব হবে না বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
এ ছাড়া অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের কাছ থেকে শ্রীলঙ্কার শিক্ষা নেয়া উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আরও দেখুনঃ
