দু-একটি বাদে সবকটি নির্বাচন স্বচ্ছ হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দু-একটি বাদে সবকটি নির্বাচন স্বচ্ছ হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে শনিবার (৮ জুলাই)  ডিক্যাব টকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, মানবাধিকার, গণতন্ত্র, গুম এগুলো সব ভাঁওতাবাজি। তিনি বলেন, ভৌগলিক কারণে অনেকের নজর আমাদের দিকে। এত দ্রুত উন্নয়নের কারণে আমরা অনেকের চক্ষুশূল হয়ে গেছি। তারা বলে আমাদের দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয়। অথচ আয়নায় নিজেদের চেহারা দেখে না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রয়েছে। পৃথিবীর কোনো দেশে এত মামুষ গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য জীবন দেয়নি। বিদেশিদের এটা জানা উচিত।তিনি আরও বলেন, বিদেশি রাষ্ট্রদূতরা দেশে আসেন দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন করতে। কিন্তু অনেক সময় তারা এমন সব কথা বলেন, যা অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের শামিল।

দু-একটি বাদে সবকটি নির্বাচন স্বচ্ছ হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিদেশিদের কাছে গিয়ে দেশের বিষয়ে প্রশ্ন করা বেখাপ্পা দেখায় উল্লেখ করে আব্দুল মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে এমপি ও মন্ত্রী বানিয়েছেন। আমি আগে রাষ্ট্রদূত ছিলাম। কিন্তু কোন দেশে তাদের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে প্রশ্ন করিনি। বাংলাদেশে বিদেশি রাষ্ট্রদূতের এসব কাজ নয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই-একটা রাজনৈতিক দল না আসলেও বেশিরভাগ দলই নির্বাচনে আসে। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিদেশিদের নিজের দিকে তাকানো উচিত। আমেরিকায় সন্ত্রাসী দল নির্বাচন করতে পারে না। আমাদের দেশে সন্ত্রাসী দল থাকতে পারে, তারা না আসলে কিছু যায় আসে না।

মন্ত্রী বলেন, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য সব দল-মতের ইচ্ছা ও প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে। নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণের দিক থেকে উন্নত দেশের থেকে বাংলাদেশ এগিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপের দেশগুলোতে ২৬-৩০ শতাংশ মানুষ ভোট দেয়। আমাদের দেশে ৭০ ভাগ মানুষ ভোট দেয়।মোমেন বলেন, এখন সব দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে আলাপ করতে আগ্রহী। দেখেন কত দেশ আসতেছে। আমরা না ডাকতেও আসছে। আমাদের ভাবমূর্তির পরিবর্তন হয়েছে। অনেক বিষয়ে আমরা পৃথিবীর কাছে সম্মানীয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সঠিক সময়েই নির্বাচন হবে। বিশ্বে কোনো দেশে নির্বাচনের আগে সংলাপ হয় না। যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যের সরকার প্রধান পদত্যাগও করে না। বিশ্বে কোথাও কেয়ারটেকার সরকার (তত্ত্বাবধায়ক সরকার) নির্বাচন করে না।

Leave a Comment