দুই বাংলার মিলনে ঈদের উৎসব গান

প্রতি বছরের মতো এবারের ঈদুল ফিতরেও শ্রোতাদের জন্য নতুন ঈদের গান মুক্তি পেয়েছে। বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীদের মিলনে তৈরি এই গানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে উভয় প্রান্তের সৃজনশীলতার ছোঁয়া। এবার দুটি বিশেষ গান প্রকাশিত হয়েছে, যা শোনার সঙ্গে সঙ্গে ঈদের আনন্দকে আরও উজ্জ্বল করবে।

বেলাল খান ও নচিকেতার ‘ভালো থেকো’

কলকাতার সুপরিচিত কণ্ঠশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী-এর কণ্ঠে গানটির সুর করেছেন বেলাল খান। গানের কথা লিখেছেন কবির বকুল এবং সংগীতায়োজন করেছেন শোভন রয়। মিউজিক ভিডিও পরিচালনা করেছেন চন্দন রয় চৌধুরী, যেখানে মডেল হয়েছেন তাপস রায় চৌধুরী ও প্রথমা দাস। গানটি প্রকাশিত হবে সাউন্ডটেকের ইউটিউব চ্যানেলে।

নচিকেতা চক্রবর্তী বলেন,

“বাংলাদেশের অনেকের সঙ্গে কাজ করেছি, তবে এ গানের সুরে বিশেষ ধরনের আনন্দ পেলাম। ভালো সুর এবং কথার মিলেই গান শ্রোতাদের মনে দাগ কাটে। আশা করি গানটি শ্রোতাদের ভালো লাগবে।”

বেলাল খান জানান,

“নচিকেতা দুই বাংলার শ্রোতাদের মধ্যে সমানভাবে জনপ্রিয়। জেন-জির প্রজন্মও তাঁর গান শুনে নিজেদের খুঁজে পায়। জীবনমুখী এই শিল্পীর জন্য সুর করা ছিল চ্যালেঞ্জিং। তবে চন্দন রয় চৌধুরীর ভিডিও এই চ্যালেঞ্জকে আরও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।”

কনা ও আকাশ সেনের ‘ঈদ এসেছে’

বাংলাদেশের দিলশাদ নাহার কনা এবং পশ্চিমবঙ্গের আকাশ সেনের কণ্ঠে তৈরি গান ‘ঈদ এসেছে’ সম্পূর্ণভাবে ঈদের উৎসব ও আনন্দকে কেন্দ্র করে। গানের কথা লিখেছেন সালাহউদ্দিন সাগর, সুর করেছেন আকাশ সেন এবং সংগীতায়োজন করেছেন এ এন ফরহাদ। ভিডিও পরিচালনা করেছেন বি কে শাহীন। গানটি প্রকাশিত হয়েছে ভাওয়াল মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে।

কনা জানান,

“এই গান পুরোপুরি ঈদের আনন্দকে প্রতিফলিত করে। ভিডিওতেও উৎসবের রঙ, আনন্দ এবং মিলনের আবহ ফুটে উঠেছে। ইতিমধ্যেই দর্শকরা গানটির প্রশংসা করছেন। আশা করি শ্রোতারা ঈদের সময় গানটি উপভোগ করবেন।”

ঈদের নতুন গানগুলোর তথ্য

গান শিরোনামসুরকারকণ্ঠশিল্পীগানের কথাসংগীতায়োজনভিডিও পরিচালকপ্রকাশ মাধ্যম
ভালো থেকোবেলাল খাননচিকেতা চক্রবর্তীকবির বকুলশোভন রয়চন্দন রয় চৌধুরীসাউন্ডটেক ইউটিউব চ্যানেল
ঈদ এসেছেআকাশ সেনদিলশাদ নাহার কনা, আকাশ সেনসালাহউদ্দিন সাগরএ এন ফরহাদবি কে শাহীনভাওয়াল মিউজিক ইউটিউব চ্যানেল

উভয় গানেই দুই বাংলার শিল্পীদের মিলনে তৈরি উৎসবমুখর সুর এবং ভিডিওর মাধ্যমে ঈদের আনন্দকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। শ্রোতারা এই গানগুলো শুনে উৎসবের আনন্দকে আরও জীবন্তভাবে অনুভব করতে পারবেন।