দীর্ঘ সময়ের পর নিলয় আলমগীরের শুটিং প্রত্যাবর্তন

প্রায় সাত মাসের দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ক্যামেরার সামনে ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা নিলয় আলমগীর। গত বছরের সেপ্টেম্বর তিনি স্ত্রী তাসনুভা তাবাসসুমকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রা করেছিলেন। সেখানে পরিবারকে সময় দেওয়ার পাশাপাশি তিনি প্রথমবারের মতো বাবা হয়েছেন।

নভেম্বর মাসে নিলয় ও তাসনুভার কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। অভিনেতাই সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিজেই ঘোষণা করেছিলেন। তাদের কন্যার নাম রাখা হয়েছে রুশদা মাইমানাহ। দেশে ফিরে আসার পর দুই দিন বিশ্রামের পর গত রবিবার থেকে নিলয় নতুন নাটকের শুটিং শুরু করেছেন। নাটকটির চূড়ান্ত নাম এখনও নির্ধারিত হয়নি।

নাটকটির লেখক অনামিকা মণ্ডল, আর পরিচালনা করছেন নাজমুল রনি। শুটিং চলছে ঢাকার উত্তরায়। পরিচালক জানিয়েছেন, নাটকটি মূলত কমেডি ঘরানার হলেও এতে সামাজিক বার্তাও থাকবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঈদ উৎসবের সময় দর্শকদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে নাটকটি তৈরি করা হচ্ছে।

নিলয়ের সহশিল্পী হিসেবে থাকছেন নীলাঞ্জনা নীলা। যদিও তারা পূর্বে খুব বেশি নাটকে একসঙ্গে দেখা যায়নি, এবার নতুন জুটিতে হাজির হচ্ছেন।

শুটিংয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই নাটকের কাজ শেষ করেই নিলয় আরেকটি দুই নাটকে অংশ নেবেন। সেই নাটকগুলিতে তাঁর সহশিল্পী হিসেবে থাকবেন জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। এই দুই নাটকেও নিলয়ের অভিনয় নিশ্চিতভাবে দর্শকদের কাছে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিম্নে শুটিং ও নিলয়ের ব্যক্তিগত তথ্যের সংক্ষিপ্ত বিবরণ টেবিল আকারে দেওয়া হলো:

বিষয়বিস্তারিত তথ্য
দীর্ঘ বিরতি৭ মাস
বিদেশ যাত্রাযুক্তরাষ্ট্র, সেপ্টেম্বর ২০২৫
কন্যাসন্তান জন্মনভেম্বর ২০২৫
কন্যার নামরুশদা মাইমানাহ
দেশে ফেরার তারিখ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নতুন নাটক শুটিং শুরু২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নাটকের লেখকঅনামিকা মণ্ডল
পরিচালকনাজমুল রনি
সহশিল্পীনীলাঞ্জনা নীলা
পরবর্তী নাটক সহশিল্পীজান্নাতুল সুমাইয়া হিমি
শুটিং স্থানঢাকার উত্তরায়

নিলয়ের এই প্রত্যাবর্তন তাঁর ভক্তদের জন্য বিশেষ আনন্দের। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও তিনি ক্যামেরার সামনে ফিরে এসে নতুন নাটক ও শুটিংয়ে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন, যা সমালোচক এবং দর্শক উভয়ের কাছেই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে। নাটকটি ঈদে সম্প্রচারের মাধ্যমে দর্শকপ্রিয়তার নতুন রেকর্ড গড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই মুহূর্তে নিলয়ের ব্যক্তিগত জীবন এবং পেশাগত জীবনের সমন্বয় সুনজরে ধরা পড়ছে, যা তাঁকে একজন পারিপার্শ্বিক ও দায়িত্বশীল শিল্পী হিসেবে আরও উচ্চাকাঙ্ক্ষী করে তুলেছে।