দিনাজপুরে মিনিবাস–ইজিবাইক সংঘর্ষে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

দিনাজপুর সদর উপজেলার নশিপুর এলাকায় শনিবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কের ওই এলাকায় একটি বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে চারজন নিহত এবং অন্তত আরও তিনজন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুও রয়েছেন, যাকে তৎক্ষণাত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় অটোরিকশার ওপর একটি বাস চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। পরে আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার সময় দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা আরও একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত শিশুকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে এবং তার চিকিৎসা অব্যাহত আছে।

নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় জানা গেছে। তিনি হলেন শিমু আক্তার (৩৮), যিনি দিনাজপুর শহরের উপশহর ৮নং ব্লকের বাসিন্দা।

দুর্ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্র জানায়, বাস ও অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। দুর্ঘটনার পর দিনাজপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুজ্জামান现场ে উপস্থিত হয়ে তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিম্নের টেবিলে দুর্ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হলো:

বিষয়বিবরণ
স্থাননশিপুর, দিনাজপুর সদর উপজেলা, দিনাজপুর জেলা
সময়২২ নভেম্বর, শনিবার দুপুর
গাড়ির ধরণবাস ও অটোরিকশা
নিহত ব্যক্তি সংখ্যা৪ জন
পরিচিত নিহতশিমু আক্তার, ৩৮ বছর, উপশহর ৮নং ব্লক, দিনাজপুর শহর
আহত৩ জন গুরুতর,其中 ৫ বছর বয়সী শিশু
হাসপাতালে নেওয়াদিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
তদন্তকারী সংস্থাদিনাজপুর কোতয়ালী থানা

স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনাটি খুব দ্রুত ঘটে এবং অটোরিকশা ভ্রমণরত মানুষের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট ছিল না। প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, অতিরিক্ত গতি ও রাস্তায় অসতর্কতা এই দুর্ঘটনার মূল কারণ হতে পারে।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিকভাবে সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করছে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য বন্ধ থাকে, পরে পুলিশ তৎপরতার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রাস্তায় যানবাহনের অতিরিক্ত গতি ও নিরাপত্তা নিয়মের ঘাটতি বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এই দুর্ঘটনা আবারও জনসাধারণের কাছে সড়ক নিরাপত্তা সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরেছে।