দবির উদ্দিন আহমেদ (১ নভেম্বর ১৯২৭-২ জুন ১৯৯৬) বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলার রাজনীতিবিদ, আইনজীবী ও তৎকালীন পাবনা-৪ (বর্তমান সিরাজগঞ্জ-৪) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।
Table of Contents
দবির উদ্দিন আহমেদ । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

প্রাথমিক জীবন
দবির উদ্দিন আহমেদ ১ নভেম্বর ১৯২৭ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার বাংগালা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা সামাতুল্লা আকন্দ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৭ সালে আইনে স্নাতক ডিগ্রী নিয়ে সিরাজগঞ্জে আইন পেশা শুরু করেন।
রাজনৈতিক জীবন
দবির একজন মুক্তিযোদ্ধা ও আইনজীবী ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা আন্দোলনে বলিষ্ট ভূমিকা রাখেন। ১৯৫৬ সালে তিনি আওয়ামীলীগে যোগদেন। তিনি ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন পাবনা-৪ (বর্তমান সিরাজগঞ্জ-৪) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
মৃত্যু
দবির উদ্দিন আহমেদ ২ জুন ১৯৯৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
রাজনীতি
রাজনীতি বা রাষ্ট্রনীতি বা রাজগতি বা রাজবুদ্ধি হলো হল দলীয় বা নির্দিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে ক্ষমতার সম্পর্কের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ বিষয়ক কর্মকাণ্ডের সমষ্টি, উদাহরণস্বরুপ সম্পদের বণ্টন হল এমন একটি কর্মকাণ্ড। রাজনীতি এ্যাকাডেমিক অধ্যয়নকে রাজনীতিবিজ্ঞান বা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কাজ হলো রাজনীতি নিয়ে গবেষণা করা।

রাজনীতি একটি বহুমুখী শব্দ। এটি আপোষের ও অহিংস রাজনৈতিক সমাধান প্রসঙ্গে ইতিবাচক অর্থে, অথবা সরকার বিষয়ক বিজ্ঞান বা কলা হিসেবে বিশদভাবে ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু পাশাপাশি এটি প্রায়শই একটি নেতিবাচক অর্থও বহন করে। উদাহরণস্বরুপ, উচ্ছেদবাদী উইনডেল ফিলিপস ঘোষণা দেন “আমরা রাজনৈতিক চাল চালি না, দাসপ্রথার বিরোধিতা নিয়ে হাসি তামাশা করা আমাদের স্বভাবে নেই।”
রাজনীতিকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, এবং বিভিন্ন পরিসরে মৌলিকভাবে এবিষয় নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতা রয়েছে, যেমন এটি কিভাবে ব্যবহার করা উচিত, বিস্তৃতভাবে নাকি সীমিতভাবে, রাজকীয়ভাবে নাকি সাধারণভাবে, এবং কোনটি এক্ষেত্রে অবশ্যম্ভাবীঃ সংঘাত নাকি সমবায়। রাজনীতিতে বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়, যার মধ্যে আছে কারও নিজস্ব রাজনৈতিক অভিমত মানুষের মাঝে প্রচার করা, অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময়, আইন প্রনয়ন, এবং বলপ্রয়োগের চর্চা করা, যার মধ্যে আছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বা লড়াই।

সামাজিক বিভিন্ন স্তরে বিস্তৃত পরিসরে রাজনীতির চর্চা করা হয়, ঐতিহ্যবাহী সমাজব্যবস্থাসমূহের গোত্র ও গোষ্ঠী থেকে শুরু করে আধুনিক স্থানীয় সরকার, ব্যবসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সার্বভৌম রাষ্ট্র, এবং আন্তর্জাতিক পর্যায় পর্যন্ত। আধুনিক জাতি রাষ্ট্রগুলোতে, মানুষ প্রায়ই নিজস্ব মতবাদ তুলে ধরতে রাজনৈতিক দল গঠন করে। কোন দলের সদস্যগণ প্রায়শই বিভিন্ন বিষয়ে সহাবস্থানের ব্যাপারে ঐক্যমত্য পোষণ করে এবং আইনের একই পরিবর্তন ও একই নেতার প্রতি সমর্থনে সহমত হয়। এক্ষেত্রে নির্বাচন হল সাধারণত বিভিন্ন দলের মধ্যে একটি প্রতিযোগিতা।
রাজনৈতিক ব্যবস্থা হল কোন কাঠামো যা কোন সমাজের মধ্যকার গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক পদ্ধতিসমূহকে সংজ্ঞায়িত করে। রাজনৈতিক চিন্তার ইতিহাস খুঁজে পাওয়া যায় প্রাথমিক প্রাচীন যুগে, যেখানে প্লেটোর রিপাবলিক, এরিস্টটলের রাজনীতি, চাণক্যর অর্থশাস্ত্র ও চাণক্য নীতি (খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতাব্দী), এবং কনফুসিয়াসের লেখার ন্যায় দিগন্ত উন্মোচনকারী কাজগুলো পাওয়া যায়।
আরও দেখুনঃ
- জমির উদ্দিন সরকার | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ
- জনাব আলী উকিল | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ
- ব্লকবাস্টার ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে পুনরুজ্জীবিত পাকিস্তান ও ধারাবাহিক ফর্মে থাকা ইংল্যান্ড
- কপ-২৭ : পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনে দুর্যোগ ক্ষতি মেটাতে পৃথক বরাদ্দের দাবি তথ্যমন্ত্রীর
- ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী