ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের রেলওয়ে কলোনি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি অভিযোগ করেছেন, তার উপর কেন্দ্রে প্রবেশের সময় হামলা চালানো হয়।
পাটওয়ারীর বক্তব্য অনুযায়ী, বেলা ১২টার দিকে তিনি কেন্দ্র পরিদর্শন ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মির্জা আব্বাস সমর্থিত কিছু কর্মী ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে তারা তাকে ধাওয়া দেয়, যা পরিস্থিতি উত্তপ্ত ও অশান্তির দিকে নিয়ে যায়। তবে সেনাবাহিনী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং পাটওয়ারীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যায়।
পাটওয়ারী পরবর্তীতে ফেসবুকে লিখেছেন, “মির্জা আব্বাসের সন্ত্রাসী বাহিনী ভোট ডাকাতির মাধ্যমে কেন্দ্রে প্রবেশের সময় আমাদের ওপর হামলা চালায়। প্রশাসনের উপস্থিতিতেও নেতাকর্মীরা আমাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।” তিনি আরও দাবি করেছেন, অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর আহ্বান জানাচ্ছেন।
ঘটনার প্রেক্ষাপট সহজে বোঝার জন্য নিম্নের টেবিলটি উপস্থাপন করা হলো:
| সময় | ঘটনা | কর্তৃপক্ষ/প্রতিক্রিয়া |
|---|---|---|
| ১২ ফেব্রুয়ারি, বেলা ১২টা | পাটওয়ারী কেন্দ্রে প্রবেশ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন | – |
| একই সময়ে | মির্জা আব্বাস সমর্থিত কর্মীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেয় ও পাটওয়ারীর দিকে ধাওয়া দেয় | – |
| একই সময়ে | হামলার ঘটনা ঘটে | সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে |
| হামলার পর | পাটওয়ারী ফেসবুকে অভিযোগ ও নিরাপত্তা দাবী পোস্ট করেন | – |
এ বিষয়ে মির্জা আব্বাস বা তার পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে এবং ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে প্রশাসনের তৎপরতা আরও গুরুত্ব পাচ্ছে।
এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীনের এ ঘটনায় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, “নির্বাচনের সময় প্রতিটি প্রার্থী ও সমর্থকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অতি জরুরি। এ ধরনের ঘটনা ভোটারদের মানসিক নিরাপত্তাকেও প্রভাবিত করে।”
এভাবে রেলওয়ে কলোনি কেন্দ্রে ঘটে যাওয়া উত্তেজনার বিষয়টি এখন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
