তারেক রহমানের দেশে ফেরার নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে সরকার: প্রেস সচিব

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছে সরকার এবং তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

বুধবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,

“আমরা তারেক রহমানের বাংলাদেশে ফেরাকে স্বাগত জানাই। তার নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে দলের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ রয়েছে।”

প্রেস সচিব আরও জানান, সরকার বিএনপির সঙ্গে পরামর্শ করে নিরাপত্তার প্রতিটি দিক যাচাই করছে। তিনি বলেন,

“আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে তার নিরাপত্তা সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত করা যায়।”

চলমান অন্যান্য মামলার বিষয়ে সরকারী উদ্যোগ :

শফিকুল আলম জানান, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ডের বিচার সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন,

“আমরা গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পাচ্ছি এবং ঘটনার তদন্তে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

ময়মনসিংহে পোশাক শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি জানান,

“সরকার হত্যাকাণ্ডকে নিন্দা জানিয়েছে। ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে অন্তত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইন উপদেষ্টা জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত বিচার আইনের আওতায় সম্পন্ন হবে।”

প্রেস সচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।

ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমানের নিরাপত্তা ও অন্যান্য মামলার তথ্য :

বিষয়বিবরণ
তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনসরকার স্বাগত জানাচ্ছে
নিরাপত্তা ব্যবস্থাসরকারের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা, বিএনপির সঙ্গে পরামর্শ
শহীদ শরিফ ওসমান হত্যাকাণ্ডতদন্ত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চলছে, কয়েকজন গ্রেপ্তার
দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডভিডিও বিশ্লেষণ, অন্তত ১২ গ্রেপ্তার, দ্রুত বিচার আইনের আওতায় বিচার
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তাসরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে
ব্রিফিং স্থানফরেন সার্ভিস একাডেমি, ঢাকা
উপস্থিত প্রেস সচিবশফিকুল আলম, ফয়েজ আহম্মদ

এই ব্রিফিংয়ে সরকারের দায়িত্বশীল পদক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্তের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা ও সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রস্তুতি এবং দ্রুত বিচার ব্যবস্থার প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে।