২০১৫ সালে সার্ভার থেকে ৭ কোটি নথি উধাও’র ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তথ্য চেয়েছেন হাইকোর্ট

২০১৫ সালে সার্ভার থেকে ৭ কোটি নথি উধাও’র ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তথ্য চেয়েছেন হাইকোর্ট।জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের এসব তথ্য গায়েব হওয়ার বিষয়ে রোববার অনুসন্ধান প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করেছে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ। তবে প্রতিবেদনে আংশিক তথ্য থাকায় পূর্ণাঙ্গ তথ্য চেয়েছেন আদালত।বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ প্রতিবেদন দাখিল করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান। 

২০১৫ সালে সার্ভার থেকে ৭ কোটি নথি উধাও’র ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তথ্য চেয়েছেন হাইকোর্ট

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, ইনপুটকৃত তথ্যই এই সার্ভারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষিত হয়। কিন্তু অনেক নিবন্ধক কার্যালয় তাদের পূর্বের হাতে লিখা জন্ম নিবন্ধন তথ্যাদি অনলাইনভুক্ত না করাতে অনেক নাগরিকের জন্ম নিবন্ধন তথ্য অনলাইনে অর্থাৎ সার্ভারে নেই। এক্ষেত্রে সার্ভার থেকে তথ্য উধাও হয়ে যাওয়া বা সার্ভারের সংরক্ষিত তথ্যের গোপনীয়তা নষ্ট হওয়ার কোনো বিষয় জড়িত নয়। কোনো ডাটা চুরি হয়নি। ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ নষ্টও করেনি বা উধাও করেনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এছাড়াও, ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অতিমাত্রায় ব্যবহারকারীর চাপে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সার্ভার ও বিআরআইএস সফটওয়্যারটি অকার্যকর হয়ে পড়ে এবং তিন মাস বিকল অবস্থায় ছিল। ইউনিসেফ কর্তৃক নিয়োগকৃত কনসালটেন্ট, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) ও প্রকল্পের কারিগরি টিমের সহায়তায় সিস্টেমটি অটো ব্যাকআপ সহ বিআরআইএস সফটওয়ার এবং ডাটাবেজ সচল করা হয়। এহেন অবস্থায় হাতে লেখা জন্ম নিবন্ধন তথ্যাদি অনলাইনভুক্তকরণের কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ডাটাবেজে কিছু ডাটার অবলুপ্তি ঘটে।

Leave a Comment