ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

দেশ

ঢাকা-১১ ফল নিয়ে কাইয়ুমের প্রশ্ন

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:২০ পিএম

ঢাকা-১১ ফল নিয়ে কাইয়ুমের প্রশ্ন

ঢাকা-১১ ফল নিয়ে কাইয়ুমের প্রশ্ন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ঢাকা-১১ আসনের ফলাফল নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এম এ কাইয়ুম অভিযোগ তুলেছেন, যিনি নিজ কেন্দ্রের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দিতে পারেননি, তিনি কীভাবে বিপুল ভোট পেয়ে বিজয়ী হন— এ প্রশ্নের জবাব জনগণ জানতে চায়। তার এই বক্তব্য মূলত ১১ দলীয় জোটসমর্থিত ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের দিকে ইঙ্গিত করে দেওয়া হয়েছে, যিনি অল্প ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বলে আনুষ্ঠানিক ফলাফলে উল্লেখ রয়েছে।

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীতে নিজ নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কাইয়ুম বলেন, ভোটগ্রহণ থেকে শুরু করে ফল ঘোষণা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় ‘কারচুপি ও পরিকল্পিত ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়েছে। তার অভিযোগ, বিশেষ করে পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের দিন তার পোলিং এজেন্টদের অনেক কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয় এবং কয়েকটি স্থানে তার সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে।

কাইয়ুমের ভাষ্যমতে, “যে প্রার্থী অধিকাংশ কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট দিতে পারে না, তার পক্ষে বিপুল ভোট পাওয়া প্রশ্নবিদ্ধ। জনগণের প্রকৃত সমর্থন থাকলে মাঠপর্যায়ে তার সাংগঠনিক উপস্থিতি ও নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় তা প্রতিফলিত হতো।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘জুলাইযোদ্ধা’ পরিচয়কে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করে ভোটারদের মধ্যে আবেগ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে, যা নির্বাচনী সমতা ও প্রতিযোগিতার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

নির্বাচনী ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের দাবি জানিয়ে কাইয়ুম নির্বাচন কমিশনের কাছে পুনর্গণনার আবেদন করেছেন। কমিশনের পক্ষ থেকে সন্তোষজনক সাড়া না পেলে তিনি আইনি লড়াইয়ে যাওয়ার কথাও ঘোষণা দেন। তার দাবি, বিতর্কিত ফলাফলের কারণে সরকারের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনআস্থা ক্ষুণ্ণ হতে পারে।

নিম্নে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনী প্রেক্ষাপট সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো—

বিষয়বিবরণ
আসনঢাকা-১১
নির্বাচনত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীএম এ কাইয়ুম (বিএনপি), নাহিদ ইসলাম (১১ দলীয় জোট/এনসিপি)
ফলাফলনাহিদ ইসলাম অল্প ব্যবধানে বিজয়ী
অভিযোগকারচুপি, পোস্টাল ভোটে প্রভাব, এজেন্টদের বাধা

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আপত্তি ও পুনর্গণনার দাবি বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন নয়। অতীতেও বিভিন্ন আসনে পরাজিত প্রার্থীরা অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন এবং আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। তবে ঢাকা-১১ আসনের বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হচ্ছে, কারণ এখানে জয়-পরাজয়ের ব্যবধান ছিল কম এবং উভয় পক্ষই রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ও প্রভাবশালী।

সংবাদ সম্মেলনে কাইয়ুম আরও বলেন, তিনি সংসদ সদস্য না হলেও তার দল ভবিষ্যতে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তিনি মাঠপর্যায়ে কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানান। বিশেষ করে ঢাকা-১১ আসনকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “জনগণের আস্থা আমার শক্তি। গণতন্ত্র ও ন্যায়ের স্বার্থে আইনি ও রাজনৈতিকভাবে লড়াই অব্যাহত থাকবে।”

এখন দৃষ্টি নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপের দিকে। পুনর্গণনা বা তদন্তের বিষয়ে কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয় এবং সম্ভাব্য আইনি প্রক্রিয়া কোন দিকে গড়ায়— তা-ই নির্ধারণ করবে এ বিতর্কের চূড়ান্ত পরিণতি।

মন্তব্য