ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছাড়লেন যমুনা, গন্তব্য গুলশান

সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ ত্যাগ করে রাজধানীর গুলশানস্থ নিজ বাসভবনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “সাবেক প্রধান উপদেষ্টা কিছু টুকিটাকি মালপত্র নিয়ে নিজ বাসভবনের উদ্দেশ্যে যমুনা ত্যাগ করেছেন। ভবনের অন্যান্য কার্যক্রম এখন গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে শুরু হবে।”

যমুনা ভবনের রক্ষণাবেক্ষণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

ড. ইউনূসের প্রস্থান নিশ্চিত হওয়ার পরই গণপূর্ত অধিদপ্তর ভবনটির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু করবে। এই সংস্কার শেষে ভবনটি নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হবে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি মাসের মধ্যে অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা এবং সব কারিগরি কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর যমুনা ভবনে তৎক্ষণাৎ স্থানান্তরিত হওয়া নিশ্চিত নয়। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী গুলশানের নিজ বাসভবনে অবস্থান করছেন। ভবিষ্যতের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভবন প্রস্তুত হলে তিনি সেখানে স্থানান্তরিত হতে পারেন।

যমুনা ভবনের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত তথ্য

বিষয়বিবরণ
প্রস্থানকারী কর্মকর্তাঅধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
প্রস্থানের সময়২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বিকাল ৩:৩০ টা
প্রস্থানগন্তব্যগুলশানস্থ নিজ বাসভবন
ভবন রক্ষণাবেক্ষণ কর্তৃপক্ষগণপূর্ত অধিদপ্তর
সংস্কারের লক্ষ্যঅভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা, কারিগরি কাজ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পন্ন করা
ভবিষ্যৎ ব্যবহারনবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য প্রস্তুত
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অবস্থানগুলশানস্থ নিজ বাসভবনে

বিশেষ নোট

ড. ইউনূসের প্রস্থানের পর যমুনা ভবনের পরবর্তী সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা হবে। ভবনের সমস্ত কারিগরি, নিরাপত্তা এবং অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা কাজ সম্পন্ন হলে এটি প্রধানমন্ত্রীর ব্যবহারের জন্য পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর যমুনায় স্থানান্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ভবিষ্যতে পরিস্থিতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী স্থানান্তর কার্যকর করা হবে।

উল্লেখযোগ্য: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যমুনা ভবন আবারও রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম ও সরকারি অতিথি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হবে, যা ভবিষ্যতে দেশের প্রশাসনিক ও রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।