ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা ৫ মে, মানতে হবে ৭ নির্দেশনা। সরকারি-বেসরকারি ডেন্টাল কলেজের (বিডিএস) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৫ মে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৪টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১ মে) অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) ডা. মুজতাহিদ মুহাম্মদ হোসেনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে ১৪ টি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘সাধারণ নির্দেশনা’ দেওয়া হয়।
ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা ৫ মে, মানতে হবে ৭ নির্দেশনা
সূত্র হানায়, শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত রাজধানী ঢাকার পাঁচটি কেন্দ্রসহ দেশের ১২টি কেন্দ্রের ১৬টি ভেন্যুতে একযোগে এ পরীক্ষা হবে। কেন্দ্রের মূলফটক সকাল ৮টা থেকে ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত খোলা থাকবে। শিক্ষার্থীদের আধা ঘণ্টা আগে হলে প্রবেশ করতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে গুরুত্বপূর্ণ ৭ নির্দেশনা:
ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র, এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও রিফিল দেখা যায়- এমন কালো কালির বলপয়েন্ট কলম নিয়ে নির্ধারিত পরীক্ষা কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৯টার আগেই প্রবেশ করতে হবে। সাড়ে ৯টার পর কোনো পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, হাতঘড়ি, পকেটঘড়ি বা অন্য কোনো ধরনের ডিজিটাল ডিভাইস ও গেজেট নিয়ে প্রবেশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরীক্ষার হলে কোনো পরীক্ষার্থীর কাছে এসব ডিভাইস পাওয়া গেলে অথবা কাউকে এ ধরনের কোনো ডিভাইস ব্যবহার করতে দেখা গেলে তার উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
উত্তর দেওয়ার আগে পরীক্ষার্থীকে প্রশ্নপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত উত্তরপত্র (OMR Sheet) নিজ দায়িত্বে সাবধানতার সঙ্গে আলাদা করে নিতে হবে এবং উত্তরপত্রে উল্লেখিত নির্দেশাবলী প্রতিপালন করতে হবে।
প্রবেশপত্র অনুযায়ী- উত্তরপত্রের নির্দিষ্ট স্থানে সই করতে হবে এবং স্পষ্টভাবে নাম লিখতে হবে। উত্তরপত্রের নির্দিষ্ট বৃত্তসমূহ ভরাট করা এবং নির্দেশিত স্থানে যথাযথ তথ্য প্রদান ব্যতীত অন্য কোনো স্থানে কিছু লেখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কেউ তা লিখলে উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।

কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে দুই কান ঢেকে রাখতে পারবেন না। হল পরিদর্শকরা উত্তরপত্রে সই করার সময় শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনে পরীক্ষার্থীর মুখমণ্ডলের আবরণ খোলার নির্দেশনা দিতে পারবেন।
পরীক্ষার্থীকে অসদুপায় অবলম্বন অথবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে অথবা অন্যের সাহায্য নিতে অথবা অন্যকে সাহায্য করতে দেখা গেলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তার উত্তরপত্র বাতিল করা হবে।