গত এক দিনে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ৬১০ জন নতুন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে বেশিরভাগই ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে concentrated।
বিভাগ অনুযায়ী নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা
| বিভাগ/নগর | ভর্তি রোগীর সংখ্যা |
|---|---|
| বরিশাল বিভাগ | ৫২ জন |
| চট্টগ্রাম বিভাগ | ১২২ জন |
| ঢাকা বিভাগ | ৮১ জন |
| ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন | ১৭১ জন |
| ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন | ১০২ জন |
| খুলনা বিভাগ | ৩১ জন |
| ময়মনসিংহ বিভাগ | ২৬ জন |
| রাজশাহী বিভাগ | ১৭ জন |
| রংপুর বিভাগ | ২ জন |
| সিলেট বিভাগ | ৬ জন |
| মোট | ৬১০ জন |
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে অনেকেই উচ্চ জ্বর, শরীরব্যথা, মাথা ঘোরা এবং রক্তপাতের ঝুঁকি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। বিশেষ করে রাজধানীর ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সচেতনতা বৃদ্ধি এবং mosquito control অভিযান জোরদার করছেন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জনগণকে অনুরোধ করেছে:
পানি জমে থাকা যায় এমন স্থান পরিস্কার করা।
মশা দমন ও স্প্রে ব্যবহারের মাধ্যমে বাসস্থান পরিচ্ছন্ন রাখা।
উচ্চ জ্বর বা সন্দেহজনক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ।
ব্যক্তিগত সুরক্ষা যেমন মশার নেট ও পোশাক ব্যবহার করা।
ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার বিশেষ হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগী ভর্তি ও চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদার করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী দিনে শীতে ভ্রমণ ও স্রাবন প্রবণতার কারণে কিছু এলাকায় সংক্রমণ কমে যেতে পারে, তবে মশা ও পানি জমে থাকা জায়গা নিয়ন্ত্রণ না করলে রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়ে গেছে।
বর্তমান পরিস্থিতি সতর্কবার্তা হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
