বিশ্বের র্যাপ মহলে গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ক্যান্ড্রিক লামার, ড্রেক এবং জে. কোলের বিখ্যাত বিরোধ সম্প্রতি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জে. কোল সম্প্রতি ক্যামরনের সাক্ষাৎকার সিরিজ Talk With Flee-এ অংশগ্রহণ করে এই বিরোধ, পরবর্তী পরিস্থিতি এবং তার ব্যক্তিগত অবস্থান নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেছেন।
সাক্ষাৎকারে কোল উল্লেখ করেন, “পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছিল যেখানে পুরো বিষয়টি রাজনীতির মতো হয়ে গিয়েছিল। সবাইকে একটি পক্ষ বেছে নিতে হত — তুমি হয় ক্যান্ড্রিকের পাশে, হয় ড্রেকের পাশে। আর আমি এমন একজন হিসেবে দাঁড়িয়েছিলাম, যিনি উভয় পক্ষকেই সমানভাবে ঘৃণা করতেন। মানুষ যেভাবে ড্রেককে নাকচ করার সুযোগ নিয়ে গল্প তৈরি করেছিল, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য এবং দুঃখজনক ছিল।”
তিনি আরও জানিয়েছেন যে, তার ক্যান্ড্রিক এবং ড্রেকের সঙ্গে সম্পর্ক এখনও “সামঞ্জস্যপূর্ণ” অবস্থায় আছে। কোল বলেন, “আমি সত্যিই তাদের ভালোবাসি, তবে আমরা ঘন ঘন যোগাযোগ করি না। কিছু কথোপকথন হয়েছে, কিন্তু তা খুব সীমিত। আমি অনেক কিছু শুনেছি, কিন্তু তা আমার অনুভূতিতে কোনো পরিবর্তন আনেনি। মাঝে মাঝে মনে হয় তাদের একটি বার্তা পাঠাতে চাই।”
সাক্ষাৎকারের অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল ক্যামরনের বিরুদ্ধে কোলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার প্রসঙ্গ। কোল বলেছেন, “যখন প্রথমবার শুনলাম, আমি প্রায় আঘাতপ্রাপ্ত এবং হতাশ বোধ করেছিলাম। মনে হয়েছিল, ‘না, ক্যাম, তুমি এটা করবে না।'”
নিচের টেবিলটিতে জে. কোলের অবস্থান সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| বিরোধের সময় | প্রায় ২ বছর আগে |
| প্রধান ব্যক্তিত্ব | ক্যান্ড্রিক লামার, ড্রেক, জে. কোল |
| কোলের মনোভাব | দুই পক্ষকেই সমানভাবে বিরক্ত; সম্পর্ক ভালোবাসাপূর্ণ, সীমিত যোগাযোগ |
| মামলা বিষয়ক অনুভূতি | আঘাতপ্রাপ্ত ও হতাশ |
| সাক্ষাৎকারের মাধ্যম | Talk With Flee, Revolt চ্যানেল ও ইউটিউব |
কোল স্পষ্ট করেছেন যে, এই বিরোধকে রাজনৈতিকভাবে বিভাজন বা পক্ষপাতের সঙ্গে তুলনা করা যায়। তিনি প্রকাশ করেছেন যে ড্রেকের বিরুদ্ধে মানুষের তৈরি রূপকথার মতো ন্যারেটিভ তার কাছে কষ্টদায়ক ছিল। তবু তার আন্তরিক ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা ক্যান্ড্রিক ও ড্রেকের প্রতি এখনও অটুট রয়েছে।
পূর্ণ সাক্ষাৎকারটি Revolt চ্যানেলে মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ রাত ১০টায় সম্প্রচারিত হয়েছে, এবং ইউটিউবে বুধবার, ২৫ মার্চ বিকেল ৫টায় উপলব্ধ হবে।
এই সাক্ষাৎকার র্যাপ বিশ্বের পেছনের জটিল রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত অনুভূতিগুলো উন্মোচন করে, যেখানে প্রতিটি শিল্পী নিজ নিজ অবস্থান ও মানসিকতার মধ্য দিয়ে চলমান বিরোধের প্রভাব ব্যাখ্যা করেছেন।
