বিএনপি বেগম জিয়াকে গিনিপিগ বানিয়েছে: তথ্যমন্ত্রী।তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এ মন্তব্য করে বলেছেন, ‘এখন বিএনপি কয়েকদিন ধরে বলছে, বেগম খালেদা জিয়ার অধিকার লংঘন করা হচ্ছে। খালেদা জিয়া যতবার অসুস্থ হয়েছেন, যতবার হাসপাতালে গিয়েছেন। বিএনপি বলেছে, তার জীবন সংকটাপন্ন, বিদেশে না নিলে উনি মারা যাবেন। কিন্তু ততবারই উনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন।’
বিএনপি বেগম জিয়াকে গিনিপিগ বানিয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
সোমবার (২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘মায়ের কান্না’ আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। মানববন্ধন ১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর ‘সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান কর্তৃক নির্মম ফাঁসির শিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনা ও বিমান বাহিনীর শহীদ সদস্যদের হত্যাকারী খুনি জিয়ার তথাকথিত কবর সংসদ ভবন এলাকা থেকে অপসারণের দাবি’ জানানো হয়। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন, রেডিওটটুডে।

দেশে বেগম জিয়ার সর্বোচ্চ চিকিৎসা যেন নিশ্চিত হয়; সেজন্য যা কিছু প্রয়োজন সেটি সরকার করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কিন্তু বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে আপনারা (বিএনপি) রাজনীতি করবেন সেটা তো করতে দেওয়া যায় না।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু কিছু সংগঠন আছে পৃথিবীতে, যারা মানবাধিকার নিয়ে ব্যবসা করে। তারা কাউকে কিল মারলে বিবৃতি দেয়, কাউকে ঘুষি মারলেও বিবৃতি দেয়। কিন্তু তাদের আত্মীয়-স্বজন কাউকে মেরে ফেললে কোনও বিবৃতি নাই। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের দেশে অবশ্যই আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং জনগণের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হবে। সরকার সর্বোচ্চভাবে নির্বাচন কমিশনকে এটি করার জন্য সহযোগিতা করবে।’
‘দয়া করে আমাদের কেউ গণতন্ত্র শিক্ষা দেবেন না’, অনুরোধ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পার্লামেন্ট ভবনে ঘেরাও করে কেউ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় নাই। আমাদের দেশে পরাজিত প্রার্থীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরাজয় মেনে নেয়। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও পরাজয় মেনে নেননি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ দ্ব্যার্থহীনভাবে বলে দিতে চাই, দেশে আবার সন্ত্রাস করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিএনপি আবার অগ্নিসন্ত্রাস করার পরিকল্পনা করেছে। তাই আমরা দ্ব্যার্থহীনভাবে বলে দিতে চাই, আওয়ামী লীগ রাজপথে আছে, থাকবে।’মায়ের কান্না সংগঠনের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান মিয়া লেলিনের সভাপত্বিতে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দীসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।