পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় মসজিদে, যেখানে ইমামতির দায়িত্ব পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হওয়া এই জামাতে অংশগ্রহণ করেন শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতা ও সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব স্তরের মুসল্লি।
জামাতের আগে মসজিদের পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর ও আধ্যাত্মিক। ইমামতি শুরু করার আগে উপাচার্য ড. রইছ উদ্দীন মুসল্লিদের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান এবং সকলের উদ্দেশে শান্তি, ঐক্য ও নৈতিক মূল্যবোধের বার্তা দেন। তিনি বলেন, “ঈদ শুধু আনন্দের দিন নয়, এটি ধৈর্য, সহমর্মিতা ও আত্মমর্যাদার শিক্ষা দেয়। আমাদের উচিত একে অপরের প্রতি সদয় হওয়া এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করা।”
নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, যা ঈদের আনন্দকে আরও দ্বিগুণ করে তোলে। শিক্ষার্থী থেকে অধ্যাপক পর্যন্ত সকলে উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ঐক্যবদ্ধ সম্প্রদায়ের পরিচয় বহন করে।
উপাচার্য ড. রইছ উদ্দীন নামাজ শেষে উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং শিক্ষার্থীদের উৎসবমুখর পরিবেশ উপভোগ করার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞানের স্থান নয়, এটি সামাজিক ঐক্য ও নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষাও দেয়। ঈদ আমাদের সেই মূল্যবোধকে আরও দৃঢ় করার সুযোগ।”
নিচে ঈদ জামাতের সংক্ষিপ্ত তথ্য টেবিল আকারে উপস্থাপন করা হলো—
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| অনুষ্ঠান | প্রধান ঈদুল ফিতর জামাত |
| তারিখ ও সময় | ২১ মার্চ ২০২৬, সকাল ৮:৩০ টা |
| ইমামতি | অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন, জবি উপাচার্য |
| স্থান | জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ |
| অংশগ্রহণকারী | শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ছাত্র সংগঠন, সাধারণ শিক্ষার্থী |
| বিশেষ কার্যক্রম | দেশ ও জাতির কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত |
| ঈদ শুভেচ্ছা | উপাচার্যসহ সকল মুসল্লি অংশগ্রহণে বিনিময় |
সব মিলিয়ে, জবি’র প্রধান ঈদ জামাত কেবল ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়; এটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক ঐক্য, সৌহার্দ্য ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। উপাচার্যের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই জামাত বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্প্রদায়কে একত্রিত করেছে এবং প্রথাগত ঈদ উদযাপনকে আরও মর্যাদাশীল ও অর্থবহ করেছে।
এটি প্রমাণ করে যে, ঈদ কেবল আনন্দের নয়, বরং শিক্ষণীয় মূল্যবোধ ও সম্প্রদায়িক ঐক্যের দিনও।
