Table of Contents
ভারতের পর মিয়ানমারও চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে। এ মাসের শেষ নাগাদ এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে। অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমারের চাল ব্যবসায়ী ও রপ্তানিকারীদের সংগঠন মিয়ানমার রাইস ফেডারেশন (এমআরএফ)। সূত্র: রয়টার্সমিয়ানমার বিশ্বের পঞ্চম বৃহৎ চাল রপ্তানিকারী দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, মিয়ানমার প্রতি বছর বিভিন্ন দেশে ২০ লাখ টন চাল রপ্তানি করে।
ভারতের পর মিয়ানমারও চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে
মিয়ানমারে চাল রপ্তানি সাময়িক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভারতের একটি চাল রপ্তানিকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান। তিনি বলেন, চালের আন্তর্জাতিক বাজারে মিয়ানমার খুব গুরুত্বপূর্ণ কোনো সরবরাহকারী নয়। কিন্তু এমন এক সময়ে তারা এই নিষেধাজ্ঞা জারি করল, যখন বিশ^বাজারে চালের স্বাভাবিক সরবরাহে ঘাটতি শুরু হয়েছে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে এই নিষেধজ্ঞা একটি বিপদ সংকেত এবং এতে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে।

ভারত গত জুলাই মাসে বাসমতি ছাড়া অন্য সব চাল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। নিষেধাজ্ঞার প্রভাবে আগস্ট মাসেই আন্তর্জাতিক বাজারে চালের সরবরাহ ১ কোটি টন কমেছে। শতকরা হিসেবে এই ঘাটতির হার ২০ শতাংশ।ভারত বিশ্বে চালের সবচেয়ে বড়ো রপ্তানিকারক দেশ, সরবরাহ করে মোট রপ্তানির ৪০ শতাংশের বেশি। ভারত রপ্তানি নিষিদ্ধ করার পর পরই বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, আরো কোনো দেশ থেকে সরবরাহ কমলেই বিশ্বব্যাপী বেড়ে যাবে খাদ্যের দাম।
রপ্তানির পরিমাণের দিক দিয়ে ভারতের পর পরই রয়েছে থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম। ভারত গত ২০ জুলাই থেকে রপ্তানি স্থগিতের পর থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে এই দুই দেশের চালের দাম। প্রথম সপ্তাহেই উভয় দেশের চালের দাম প্রতি টনে ৫ শতাংশ হারে বেড়েছে। আর ভারত রপ্তানি না করলে বিশ্ববাজারে ঘাটতি পূরণের মতো পর্যাপ্ত চাল থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে মজুত নেই।
