সারাদেশে ঘন কুয়াশার কারণে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।
বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের কর্মকর্তা মো. সোলায়মান বিষয়টি দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন,
“আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কোনো নৌযানকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সারাদেশের কোনো নদীবন্দর থেকেও লঞ্চ বা অন্যান্য নৌযান চলাচল করছে না।”
বিআইডব্লিউটিএ জানিয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে দেশের বিভিন্ন নৌপথে একের পর এক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। যাত্রী এবং নৌযানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার মধ্যরাতের পর থেকেই চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন নদীতে যাত্রীবাহী লঞ্চ ও মালবাহী কার্গোর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনায় অন্তত ছয়জন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নৌপথে দৃশ্যমানতা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
নিরাপত্তা সতর্কতাস্বরূপ, বিআইডব্লিউটিএ জনসাধারণকে পরামর্শ দিয়েছে যে, কুয়াশা কমা পর্যন্ত নদী পথে ভ্রমণ এড়িয়ে চলা উচিত। বিশেষ করে যাত্রীবাহী লঞ্চে ভ্রমণকারী মানুষদের সর্তক থাকা জরুরি।
নিচে মূল তথ্যগুলো টেবিল আকারে উপস্থাপন করা হলো:
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| সিদ্ধান্ত | সারাদেশে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ |
| কার্যকর সময় | ২৮ ডিসেম্বর, সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশনা পর্যন্ত |
| কর্তৃপক্ষ | বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) |
| দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা | মো. সোলায়মান, নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট বিভাগ |
| কারণ | ঘন কুয়াশার কারণে যাত্রী ও নৌযানের নিরাপত্তা ঝুঁকি |
| সাম্প্রতিক দুর্ঘটনা | চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে লঞ্চ ও কার্গোর সংঘর্ষ; ৬ নিহত, ২০ আহত |
এই বন্ধ ঘোষণার মাধ্যমে নৌপথে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা থেকে যাত্রীদের জীবন ও নৌযানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের আশা, দ্রুত কুয়াশা কাটলেই নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হবে।
