গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে ৫ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সোমবার (১৫ মে) দুপুরে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সাবিনা ইয়াসমিন আসামিদের উপস্থিতে এ রায় দেন।

গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, দৌলতপুর উপজেলার বাশাইল এলাকার নুরুল হক, আবুল কাশেম, তাজুল ওরফে দেলোয়ার এবং বাহেজ উদ্দিন।

গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা

নিহত শিউলী আক্তার ওই এলাকার তৈমুদ্দিনের মেয়ে এবং শিবালয়ের বালুরচর এলাকার রফিক মিয়ার স্ত্রী।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ৮ নভেম্বর রাতে দৌলতপুর উপজেলার জিয়নপুর বাজারে গৃহবধূ শিউলী আক্তারকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যান আসামিরা। পরদিন সকালে জিয়নপুর নদীর পাড় থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন।

দৌলতপুর থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা

 

দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত ৫ আসামির যাবজ্জীবন করাদণ্ড দেন। বাকি দুইজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

রাষ্টপক্ষের আইনজীবী এপিপি মথুরনাথ সরকার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী একেএম আজিজুল হক ও রেজা ফেরদৌস উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।

Leave a Comment