রাজধানীর গুলশান-২ নম্বর চত্বরে মঙ্গলবার বিকেল চারটায় অনুষ্ঠিত হলো ‘নো হর্ন, নো ডাস্ট’ শীর্ষক এক মিনিটের প্রতীকী নীরবতা কর্মসূচি। এই সচেতনতা মূলক আয়োজনটি পরিচালনা করেছে গুলশান ট্রাফিক বিভাগ, যার উদ্দেশ্য ছিল নগরীর যানজট ও শব্দদূষণ কমানো এবং রাস্তাঘাট পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সাধারণ মানুষ ও গাড়িচালকদের সচেতন করা।
কর্মসূচির সময় গুলশান-২ নম্বর চত্বরের ট্রাফিক সিগন্যাল চারটি দিক—উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম—এক মিনিটের জন্য রেড সিগন্যাল রাখা হয়। এই এক মিনিটের সময় সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয় এবং চালক ও যাত্রীদের নীরবভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
কর্মসূচির মূল বিষয়সমূহ:
| বিষয় | বিস্তারিত |
|---|---|
| আয়োজনের স্থান | গুলশান-২ নম্বর চত্বর, ঢাকা |
| সময় | ২৭ জানুয়ারি, বিকেল ৪:২০ মিনিট |
| আয়োজক | গুলশান ট্রাফিক বিভাগ ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) |
| উপস্থিতি | ট্রাফিক ডিসি মিজানুর রহমান, ট্রাফিক অ্যাসিসটেন্ট গ্রুপ (ট্যাগ) এর ১৫০ জন সদস্য |
| কার্যক্রম | চার দিকের সিগন্যাল এক মিনিটের জন্য লাল, গাড়িচালক ও পথচারীর নীরবতা |
| সচেতনতা বিষয় | অপ্রয়োজনে হর্ন বাজানো না করা, রাস্তাঘাট পরিচ্ছন্ন রাখা |
| প্রতীকী উপকরণ | ‘নো হর্ন, নো ডাস্ট’ লেখা প্ল্যাকার্ড বিতরণ |
চালকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেন। তাদের হাতে ‘নো হর্ন, নো ডাস্ট’ লেখা প্ল্যাকার্ড তুলে দেওয়া হয়, যা মূল বার্তা হিসেবে উপস্থিত মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। এই উদ্যোগে শুধু গাড়িচালকই নয়, পথচারীও সচেতনতার অংশীদার হন।
গুলশান, বনানী ও নিকেতনসহ পুরো গুলশান ডিভিশনে ট্রাফিক বিভাগ ও ডিএনসিসি যৌথভাবে কাজ করে শহরের প্রধান সড়কগুলোতে অপ্রয়োজনে হর্ন বাজানো কমানো এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। ট্রাফিক বিভাগের ডিসি মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, “এ ধরনের প্রতীকী উদ্যোগ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর। এক মিনিটের নীরবতা হলেও এটি আমাদের বার্তা পৌঁছে দেয়।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ট্রাফিক অ্যাসিসটেন্ট গ্রুপের সদস্যরা জানালেন, নিয়মিত এ ধরনের সচেতনতা কর্মসূচি চালানো হলে শব্দদূষণ কমানো সম্ভব এবং নগরীর পরিবেশ উন্নত রাখা সম্ভব। এই এক মিনিটের নীরবতা ছিল শুধু একটি প্রতীকী আয়োজন, তবে এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশ সচেতনতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
