ফিলিস্তিনি আন্দোলনের প্রতিনিধিরা তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সাথে আঙ্কারায় এক বৈঠকে জানিয়েছেন, গাজা উপত্যকায় ব্যাপক যুদ্ধবিরতি এবং সেখানে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী প্রত্যাহারের বিষয়ে একটি চুক্তি প্রতিষ্ঠা করতে হামাস প্রয়োজনীয় নমনীয়তা প্রদর্শন করতে প্রস্তুত।
কায়রো থেকে বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, হামাস প্রতিনিধিরা ইসরাইলের সাথে যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন।
তুরস্কের রাজধানীতে আলোচনা শেষে আন্দোলনের টেলিগ্রাম চ্যানেলে পোস্ট করা একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে হামাস জানিয়েছে, ‘হামাস প্রতিনিধিরা স্পষ্টভাবে বলেছেন, তারা ইসরাইলের যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলাকে অপরিহার্য মনে করছেন।’
হামাস আরও উল্লেখ করেছে, গাজা উপত্যকায় পূর্ণ যুদ্ধবিরতি, ফিলিস্তিনি বন্দীদের জন্য জিম্মি বিনিময় এবং ছিটমহল থেকে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী প্রত্যাহারের জন্য তারা প্রয়োজনীয় সকল নমনীয়তা প্রদর্শন করতে প্রস্তুত।
হামাসের মুখপাত্র আব্দুল লতিফ আল-কানু পূর্বে জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের প্রস্তাবিত গাজা সংঘাত নিরসন পরিকল্পনা নিয়ে হামাস মধ্যস্থতাকারীদের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
২০২৩ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে, ইসরাইল ও হামাস মিশর, কাতার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গাজায় বন্দী মুক্তি এবং ছিটমহলে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করার জন্য একটি চুক্তিতে পৌঁছায়।
তিন-পর্যায়ের ওই চুক্তি ১৯ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়ে ১ মার্চ শেষ হয়। চুক্তির প্রথম পর্যায়ে হামাস ৩৩ জন ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্তি দেয় এবং বিনিময়ে ইসরাইল ১,৫০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেয়।
