ফুটবল বিশ্বে কিলিয়ান এমবাপে এবং আর্লিং হলান্ডের আধিপত্য এখন স্পষ্ট। তবে কল্পনা করুন, এই গোলমেশিন স্ট্রাইকার হয়তো এখন গলফের মাঠে নামতেন। ছোটবেলায় হলান্ডকে বাবা আলফ-ইঞ্জে গলফে অভ্যস্ত করিয়েছিলেন।
হলান্ডের ছোটবেলা খুবই বৈচিত্র্যময় ছিল। তিনি ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড, লং জাম্প, হ্যান্ডবল এবং টেনিস—সব খেলায় পারদর্শী ছিলেন। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে বিশ্বের দীর্ঘতম স্ট্যান্ডিং লং জাম্পের রেকর্ড ভেঙেছিলেন। বাবার বিশ্বাস ছিল, বহুমুখী ক্রীড়া শিশুর শারীরিক বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
তবে গলফই ছিল বাবার স্বপ্ন। ১০ বছর বয়সে শুরু করে তিন বছর ধরে নিয়মিত প্র্যাকটিস করেছেন। পডকাস্টে হলান্ড বলেছেন, ‘আমি কখনো গ্লাভস পরে খেলতাম না, কারণ বাবা মারতেন।’ এই কঠোর শৃঙ্খলা এবং প্রশিক্ষণ তার পরবর্তী খেলোয়াড় জীবনে মুল ভিত্তি তৈরি করেছে।
আজ হলান্ড ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে প্রতি প্রতিযোগিতায় অসংখ্য রেকর্ড ভাঙছেন। প্রিমিয়ার লিগে দ্রুততম গোলের সেঞ্চুরি, ২৫ ম্যাচে ২৩ গোল, সাতটি অ্যাসিস্ট—সবকিছুই প্রমাণ করে তিনি ফুটবলের দুনিয়ার কিং। গলফের পথ ছেড়ে ফুটবল বেছে নেওয়ায় ফলাফল নজিরবিহীন।