বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও এজ গ্রুপ কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ আকবর বলেছেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে স্থল সীমানা থাকা দুই দেশ ভারত ও মিয়ানমার—একটি দেশ ফেনসিডিল পাঠায়, আরেকটি দেশ ইয়াবা পাঠায়।”
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উদ্যোগে আয়োজিত এজ গ্রুপ ক্রিকেট ডেভেলপমেন্ট ক্যাম্পেইন ও ক্রিকেটারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে আসিফ আকবর এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “বয়সভিত্তিক ক্রিকেটারদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ তারকা তৈরি করার লক্ষ্যে বিসিবি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে অভিভাবক, সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমরা চাই আমাদের সন্তানরা মাদকাসক্ত না হয়ে খেলাধুলায় ফিরে আসুক। তরুণ প্রজন্ম, আপকামিং প্রজন্ম কিংবা বর্তমান প্রজন্ম—সবাইকে বড়দের আদেশ, উপদেশ এবং পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। নিজেদের জীবনে পরিবর্তন আনাটা নিজেদের দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, “নতুন সময় এসেছে, নতুন বাংলাদেশ এসেছে। এই বাংলাদেশকে প্রমোট করতে হলে সবাইকে নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করতে হবে। আমি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আপনাদের সঙ্গে আছি।”
এজ গ্রুপ কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, “আমাদের দেশের দুই প্রান্তে দুই দেশের সীমান্ত রয়েছে। একটি সীমান্ত ফেনসিডিল পাঠায়, অন্যটি ইয়াবা পাঠায়। যদি আরও কিছু দেশের সীমান্ত থাকতো, তাহলে বাংলাদেশ হাওয়াই উড়ে যেত।”
আসিফ আকবর বলেন, খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, এটি তরুণদের চরিত্র গঠন, মানসিক উন্নয়ন এবং সুস্থ জীবনযাপনের অন্যতম মাধ্যম। তিনি সমাজে মাদকমুক্ত পরিবেশ গড়তে খেলাধুলাকে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের আহ্বান জানান।
এছাড়া তিনি নারী খেলোয়াড়দের জন্য ড্রেসিংরুমসহ প্রয়োজনীয় সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি খেলার জন্য প্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী সরবরাহের আশ্বাস দেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন—বিসিবির পরিচালক হাসানুজ্জামান, জিডির সদস্য সচিব আরমানুল ইসলাম, বিসিবি আম্পায়ার শাকির, ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রিকেট কোচ রোকুনজ্জামান রাহাত এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা। তারা খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলা, দক্ষতা এবং মানসিক দৃঢ়তা নিয়ে পরামর্শ দেন এবং ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন।
এছাড়া তিনি স্টেডিয়ামের অবকাঠামো পরিদর্শনও করেন।
এসএস
