ঢাকা-১৮ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদীবের নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালীন গত সোমবার সকালে খিলক্ষেত থানার ডুমনী নূরপাড়া এলাকায় একটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তি মো. মানিককে চাপাতিসহ আটক করা হয়েছে, যাকে পরে উত্তরা-পূর্ব থানায় হস্তান্তর করা হয়।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সোমবার রাতে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ডিএমপি জানায়, আটককৃত মানিক তুরাগ থানার চার্জশিটভুক্ত আসামি, এবং তিনি আরিফুল ইসলামের জনসংযোগ মিছিল বা আজাদী যাত্রায় হামলার মূল সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।
ঘটনার পরই আরিফুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, হামলার পেছনে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের হাত রয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় নূরপাড়া আলিম মাদ্রাসা মাঠে পৌঁছানোর পর বিএনপির ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের নেতা দিদার মোল্লার নেতৃত্বে তাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হামলার সময় ছাত্রজনতা উপস্থিত থেকে হামলাকারীকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেছে। ঘটনাস্থল ও আটককৃত ব্যক্তির তথ্য নিচের টেবিলে সংক্ষেপে দেওয়া হলো:
| তথ্য | বিবরণ |
|---|---|
| ঘটনা স্থান | খিলক্ষেত থানার ডুমনী নূরপাড়া, ঢাকা-১৮ |
| ঘটনা সময় | সোমবার, সকাল (নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালীন) |
| আক্রান্ত | আরিফুল ইসলাম আদীব ও তার সহকর্মীরা |
| আটককৃত | মো. মানিক (চাপাতিসহ) |
| হস্তান্তর | উত্তরা-পূর্ব থানা |
| সন্দেহভাজন ব্যক্তি | তুরাগ থানার চার্জশিটভুক্ত আসামি |
| অভিযোগকারী | আরিফুল ইসলাম আদীব (এনসিপি ও ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী) |
| অভিযোগ | বিএনপির স্থানীয় নেতৃত্ব হামলায় জড়িত |
এই হামলার ঘটনা রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করেছে। ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচনী এলাকায় ভোট প্রার্থীদের নিরাপত্তা এবং জনসংযোগ কার্যক্রম পরিচালনায় স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে।
প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণায় এ ধরনের সহিংসতা নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে, যা শান্তিপূর্ণ ও ন্যায্য ভোট প্রক্রিয়ার জন্য উদ্বেগের বিষয়।
