বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লাশ গুলশানের এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে তার বাসভবন ফিরোজায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে লাশবাহী গাড়ি রওনা দেয়। এ সময় পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি, র্যাব ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর বিশেষ সদস্য মোতায়েন ছিল।
খালেদা জিয়ার জানাজা রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে একই দিন বাদ জোহর অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়েছে; মূলত সুষ্ঠু আয়োজন ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ২৭টি বিজিবি প্লাটুন দায়িত্বে থাকবে।
ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা ও উপজেলা থেকে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সকালে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এর মধ্যে নেতাকর্মীরা কালো কাপড় ও ব্যানার বহন করে শোক প্রকাশ করছেন।
স্থানীয় সংবাদদাতারা জানান, খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদে রাজধানী ও জেলা কার্যালয়গুলোতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দলের বিভিন্ন কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে এবং কর্মীরা দলীয় শোক প্রকাশে ব্যস্ত রয়েছেন।
সংবাদে আরও জানা গেছে, লাশ গ্রহণ ও জানাজা অনুষ্ঠানের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ এবং বিজিবি ছাড়াও সিভিল ডিফেন্স টিম দায়িত্ব পালন করছে। যানজট ও জনসমাবেশ নিয়ন্ত্রণে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নীচের টেবিলে জানাজা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংক্ষেপে দেওয়া হলো:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| লাশ গ্রহণের স্থান | এভারকেয়ার হাসপাতাল, গুলশান |
| লাশ নেওয়ার গন্তব্য | ফিরোজা, গুলশান, ঢাকা |
| জানাজার স্থান | মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, ঢাকা |
| জানাজার সময় | বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, বাদ জোহর |
| নিরাপত্তা ব্যাবস্থা | ২৭ প্লাটুন বিজিবি, পুলিশ, র্যাব, সিভিল ডিফেন্স |
| অংশগ্রহণকারীর উৎস | ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে নেতাকর্মীরা |
সংবাদদাতাদের সরজমিনে দেখা যায়, শোকসন্তপ্ত মানুষজন নানাভাবে ভক্তি ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষ মিলিতভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।
এই মৃত্যুর সংবাদে জাতীয় রাজনীতিতেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক মহলে খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করা হচ্ছে এবং তার মৃত্যুকে দেশের জন্য একটি ক্ষতি হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।
