খায়রুল কবির খোকন | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

খায়রুল কবির খোকন একজন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ এবং নরসিংদী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

খায়রুল কবির খোকন | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

খায়রুল কবির খোকন | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

প্রাথমিক জীবন

খায়রুল কবির-খোকন নরসিংদী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার স্ত্রী শিরিন সুলতানা বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক।

রাজনৈতিক জীবন

খোকন ২০০৫ সালে উপ-নির্বাচনে নরসিংদী-১ থেকে বাংলাদেশ-জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য শামসুদ্দিন আহমেদ ইসহাকের মৃত্যুর পরে এই আসনটি শূন্য হয়। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাদাত হোসেন মুন্নাকে পরাজিত করেছিলেন। নির্বাচনটি প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বর্জন করে। এই নির্বাচনে কম ভোট গ্রহণ হয়েছে।  তিনি বাংলাদেশ-জাতীয়তাবাদী দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক। বাংলাদেশ-জাতীয়তাবাদী দল তাকে ২০১৩ সালের বাংলাদেশ সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মনোনীত করেছিলেন।

 

খায়রুল কবির খোকন | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

বাংলাদেশ-জাতীয়তাবাদী দল:

বাংলাদেশ-জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই দল প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৭ সালে ৩০ এপ্রিল জিয়াউর রহমান তার শাসনকে বেসামরিক করার উদ্দেশ্যে ১৯ দফা কর্মসূচি শুরু করেন। জিয়া যখন সিদ্ধান্ত নিলেন যে তিনি রাষ্ট্রপতির পদের জন্য নির্বাচন করবেন তখন তার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) প্রতিষ্ঠিত হয়। এই দলের সমন্বয়ক ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।

ইতিহাস

প্রতিষ্ঠা

জাতীয় সংসদ নির্বাচন এগিয়ে আসলে জিয়া বাংলাদেশ-জাতীয়তাবাদী দল গঠন করেন। জাগদলকে বিএনপির সাথে একীভূত করা হয়। রাষ্ট্রপতি জিয়া এই দলের সমন্বয়ক ছিলেন এবং এই দলের প্রথম চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী এর প্রথম মহাসচিব ছিলেন। জিয়ার এই দলে বাম, ডান, মধ্যপন্থি সকল প্রকার লোক ছিলেন। বিএনপির সবচেয়ে প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল এর নিয়োগ পদ্ধতি। প্রায় ৪৫ শতাংশ সদস্য শুধুমাত্র রাজনীতিতে যে নতুন ছিলেন তাই নয়, তারা ছিলেন তরুণ।

 

খায়রুল কবির খোকন | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টায় রমনা রেস্তোরাঁয় বাংলাদেশ-জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের যাত্রা শুরু করেন। জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষণাপত্র পাঠ ছাড়াও প্রায় দুই ঘণ্টা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। সংবাদ সম্মেলনে নতুন দলের আহ্বায়ক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি প্রথমে ১৮ জন সদস্যের নাম এবং ১৯ সেপ্টেম্বর ওই ১৮ জনসহ ৭৬ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন।

এখানে উল্লেখ্য, বিএনপি গঠন করার আগে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) নামে আরেকটি দল তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে সভাপতি করে গঠিত হয়েছিল। ২৮ আগস্ট ১৯৭৮ সালে নতুন দল গঠন করার লক্ষ্যে জাগদলের বর্ধিত সভায় ওই দলটি বিলুপ্ত ঘোষণার মাধ্যমে দলের এবং এর অঙ্গ সংগঠনের সকল সদস্য জিয়াউর রহমান ঘোষিত নতুন দলে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment