ক্ষিতীশ চন্দ্র মন্ডল | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

ডা. ক্ষিতীশ চন্দ্র মন্ডল (১৩ অক্টোবর ১৯৩৯-৯ মার্চ ২০২০) বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার রাজনীতিবিদ, চিকিৎসক, সাবেক সংসদ সদস্য ও বঙ্গবন্ধু সরকারের, মোশতাক সরকারের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

ক্ষিতীশ চন্দ্র মন্ডল | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

ক্ষিতীশ চন্দ্র মন্ডল | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

জন্ম ও পারিবারিক জীবন

ক্ষিতীশ চন্দ্র মন্ডল ১৩ অক্টোবর ১৯৩৯ সালে পিরোজপুরের নাজিরপুরের শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নে বাবলা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম সারদা প্রসন্ন মন্ডল। তার স্ত্রী মনিকা মন্ডল বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের পিরোজপুর জেলা শাখার সভানেত্রী। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে।

জীবনী

ক্ষিতিশ চন্দ্র মন্ডল পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে ১৯৭০ সালে পিরোজপুর মহকুমার নাজিরপুর-বানারীপাড়া এলাকা থেকে সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে প্রথমে পিরোজপুর মহকুমা সংগ্রাম পরিষদের সদস্য হয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। পরে ভারতে শরণার্থী ক্যাম্পে চিকিৎসাক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে তিনি গণপরিষদের সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৭২ সালে পিরোজপুর মহকুমা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১৯৯৩-১৯৯৪ পর্যন্ত পিরোজপুর জেলা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৩ সালের বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (বিলুপ্ত আসন বাকেরগঞ্জ-১৫) পিরোজপুর মহকুমার নাজিরপুর-বানারীপাড়া (একাংশ) এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। শেখ মুজিবুর রহমানের তৃতীয় মন্ত্রিসভায় তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয়ের এবং পরে ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালের পরে মোশতাক আহমেদের মন্ত্রিসভারও সদস্য ছিলেন। তিনি জিয়াউর রহমানের শাসনআমলে আলজেরিয়ায় প্রবাসী হয়ে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। ১৯৯৬ সাল থেকে রাজনীতি থেকে দূরে থেকে ডাক্তারি পেশায় যুক্ত ছিলেন।

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

মৃত্যু

ক্ষিতীশ চন্দ্র মন্ডল ৯ মার্চ ২০২০ সালে পিরোজপুর শহরের শিকারপুরের নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেন।

রাজনীতি

রাজনীতি বা রাষ্ট্রনীতি বা রাজগতিবা রাজবুদ্ধি হলো হল দলীয় বা নির্দিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে ক্ষমতার সম্পর্কের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ বিষয়ক কর্মকাণ্ডের সমষ্টি, উদাহরণস্বরুপ সম্পদের বণ্টন হল এমন একটি কর্মকাণ্ড। রাজনীতি এ্যাকাডেমিক অধ্যয়নকে রাজনীতিবিজ্ঞান বা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কাজ হলো রাজনীতি নিয়ে গবেষণা করা।

রাজনীতি একটি বহুমুখী শব্দ। এটি আপোষের ও অহিংস রাজনৈতিক সমাধান প্রসঙ্গে ইতিবাচক অর্থে, অথবা সরকার বিষয়ক বিজ্ঞান বা কলা হিসেবে বিশদভাবে ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু পাশাপাশি এটি প্রায়শই একটি নেতিবাচক অর্থও বহন করে।

 উদাহরণস্বরুপ, উচ্ছেদবাদী উইনডেল ফিলিপস ঘোষণা দেন “আমরা রাজনৈতিক চাল চালি না, দাসপ্রথার বিরোধিতা নিয়ে হাসি তামাশা করা আমাদের স্বভাবে নেই।” রাজনীতিকে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, এবং বিভিন্ন পরিসরে মৌলিকভাবে এবিষয় নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতা রয়েছে, যেমন এটি কিভাবে ব্যবহার করা উচিত, বিস্তৃতভাবে নাকি সীমিতভাবে, রাজকীয়ভাবে নাকি সাধারণভাবে, এবং কোনটি এক্ষেত্রে অবশ্যম্ভাবীঃ সংঘাত নাকি সমবায়।

রাজনীতিতে বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়, যার মধ্যে আছে কারও নিজস্ব রাজনৈতিক অভিমত মানুষের মাঝে প্রচার করা, অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময়, আইন প্রনয়ন, এবং বলপ্রয়োগের চর্চা করা, যার মধ্যে আছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বা লড়াই। সামাজিক বিভিন্ন স্তরে বিস্তৃত পরিসরে রাজনীতির চর্চা করা হয়, ঐতিহ্যবাহী সমাজব্যবস্থাসমূহের গোত্র ও গোষ্ঠী থেকে শুরু করে আধুনিক স্থানীয় সরকার, ব্যবসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সার্বভৌম রাষ্ট্র, এবং আন্তর্জাতিক পর্যায় পর্যন্ত।

আধুনিক জাতি রাষ্ট্রগুলোতে, মানুষ প্রায়ই নিজস্ব মতবাদ তুলে ধরতে রাজনৈতিক দল গঠন করে। কোন দলের সদস্যগণ প্রায়শই বিভিন্ন বিষয়ে সহাবস্থানের ব্যাপারে ঐক্যমত্য পোষণ করে এবং আইনের একই পরিবর্তন ও একই নেতার প্রতি সমর্থনে সহমত হয়। এক্ষেত্রে নির্বাচন হল সাধারণত বিভিন্ন দলের মধ্যে একটি প্রতিযোগিতা।

রাজনৈতিক ব্যবস্থা হল কোন কাঠামো যা কোন সমাজের মধ্যকার গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক পদ্ধতিসমূহকে সংজ্ঞায়িত করে। রাজনৈতিক চিন্তার ইতিহাস খুঁজে পাওয়া যায় প্রাথমিক প্রাচীন যুগে, যেখানে প্লেটোর রিপাবলিক, এরিস্টটলের রাজনীতি, চাণক্যর অর্থশাস্ত্র ও চাণক্য নীতি (খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতাব্দী), এবং কনফুসিয়াসের লেখার ন্যায় দিগন্ত উন্মোচনকারী কাজগুলো পাওয়া যায়।

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment