পাকিস্তানের অধিনায়ক ও ব্যাটিং তারকা বাবর আজম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস রচনা করেছেন। রবিবার লাহোরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে খেলেন ৫০ রান করে অপরাজিত, যা তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ৩৯তম হাফ-সেঞ্চুরি। এই সাফল্যের মাধ্যমে বাবর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি হাফ-সেঞ্চুরির মালিক হিসেবে বিরাট কোহলিকে ছাড়িয়ে গেছেন।
ম্যাচে পাকিস্তান প্রথমে ব্যাট করে ২০৭ রানে ৬ উইকেট হারায়। বাবরের ইনিংসের প্রমাণে দলের স্কোরের বড় অংশ এসেছে। পরবর্তীতে পাকিস্তান অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১১১ রানে ফেরিয়ে দিয়ে সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জিতেছে। বাবরের এই মার্জিত ইনিংসের জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
বাবরের ৩৯তম হাফ-সেঞ্চুরি অর্জিত হয়েছে ১৩৯ ইনিংসে। তুলনামূলকভাবে, বিরাট কোহলির রেকর্ড ছিল ৩৮টি হাফ-সেঞ্চুরি ১২৫ ইনিংসে। এর ফলে বাবর আজমের কার্যকর ইনিংসের সংখ্যা ও ধারাবাহিকতা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
নিচের টেবিলে সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি হাফ-সেঞ্চুরি রেকর্ডধারীদের তালিকা তুলে ধরা হলো:
| অবস্থান | খেলোয়াড়ের নাম | হাফ-সেঞ্চুরির সংখ্যা | ইনিংস সংখ্যা | মন্তব্য |
|---|---|---|---|---|
| ১ | বাবর আজম | ৩৯ | ১৩৯ | সর্বোচ্চ, বর্তমান চলমান |
| ২ | বিরাট কোহলি | ৩৮ | ১২৫ | অবসরপ্রাপ্ত |
| ৩ | রোহিত শর্মা | ৩৭ | তথ্য নেই | অবসরপ্রাপ্ত |
| ৪ | মোহাম্মদ রিজওয়ান | ৩১ | তথ্য নেই | বর্তমানে দলের বাইরে |
| ৫ | ডেভিড ওয়ার্নার | ২৯ | তথ্য নেই | অবসরপ্রাপ্ত |
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই রেকর্ড শুধুমাত্র ব্যাটিং দক্ষতা নয়, বরং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের প্রতিফলন। বাবর আজমের এই সাফল্য পাকিস্তানের জন্য নতুন অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করছে। কোহলি, রোহিত শর্মা ও ডেভিড ওয়ার্নারের অবসরের পরও বাবরের এই অবিস্মরণীয় রেকর্ডের মাধ্যমে পাকিস্তান ক্রিকেট বিশ্বে নিজের অবস্থান আরও দৃঢ় করেছেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাবর যদি ধারাবাহিকভাবে খেলে যান, তবে তিনি আরও অনেক রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনা রাখেন। ইতিমধ্যে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় এবং নিজের ব্যক্তিগত মাইলফলক ছুঁয়ে, বাবর আজমকে সমসাময়িক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটার হিসেবে স্থান পেয়েছেন।
