কুমিল্লার নাঙ্গলকোট রেলস্টেশন এলাকায় সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি কোচ লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী লেন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এই দুর্ঘটনায় যাত্রীদের যাত্রা ব্যাহত হলেও কোনো গুরুতর আঘাতের ঘটনা ঘটেনি।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানা যায়, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা রওনা হওয়া মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেন নাঙ্গলকোট স্টেশনের কাছে পৌঁছালে ট্রেনের একটি কোচের চারটি চাকা লাইনচ্যুত হয়। এতে যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ ও বিলম্ব দেখা দেয়। বেশ কিছু যাত্রীকে বিকল্প বাহনের মাধ্যমে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয়।
নাঙ্গলকোট রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার জামাল উদ্দিন জানিয়েছেন, “ট্রেনের একটি কোচের দুই পাশে মোট চারটি চাকা লাইনচ্যুত হয়েছে। আমরা উদ্ধারের কাজ শুরু করেছি এবং দ্রুত ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”
বর্তমানে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী লেন বন্ধ থাকায় যাত্রীরা অন্য ট্রেন বা বাসের মাধ্যমে ভ্রমণ করছেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছেন যে, লাইনচ্যুত কোচ সরানো সম্পন্ন হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে স্বাভাবিক চলাচল দ্রুত পুনঃস্থাপন সম্ভব হবে।
নিচের টেবিলে দুর্ঘটনার মূল তথ্য ও প্রভাব সংক্ষেপে দেওয়া হলো:
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| দুর্ঘটনার সময় | ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, দুপুর ২:৩০ মিনিট |
| দুর্ঘটনার স্থান | নাঙ্গলকোট রেলস্টেশন, কুমিল্লা |
| ট্রেনের নাম | মহানগর এক্সপ্রেস |
| লাইনচ্যুত কোচের চাকা | ৪টি (কোচের দুই পাশে) |
| প্রভাবিত লেন | চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী |
| যাত্রী প্রভাব | বিকল্প বাহনে স্থানান্তরিত, যাত্রা বিলম্ব |
| রেল কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ | কোচ উদ্ধারের কাজ চলছে, ট্রেন চলাচল শিগগিরই স্বাভাবিকের চেষ্টা |
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে দুর্ঘটনার ফলে বড় ধরনের ক্ষতি বা গুরুতর আহতের ঘটনা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। কর্মকর্তারা সতর্ক অবস্থানে থাকছেন যাতে লাইনচ্যুতি রোধ এবং ভবিষ্যতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ধীরে ধীরে লাইনচ্যুত কোচ সরানোর কাজ সম্পন্ন হলে ঢাকাগামী লেনের ট্রেন চলাচল আগামী কয়েক ঘন্টার মধ্যে পুনরায় স্বাভাবিক হবে। যাত্রীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা হওয়ায় সাময়িক অসুবিধা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ঘটনায় রেলপথের নিরাপত্তা ও যাত্রী সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্টেশন কর্মীরা সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন, যা ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সহায়ক হবে।
