কর্ণফুলীতে সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালকদের হামলায় ট্রাফিক পুলিশ আহত

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় ট্রাফিক পুলিশের ওপর সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় এক ধরনের উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। এই হামলায় দুই ট্রাফিক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনা ঘটেছে রবিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে মইজ্জারটেক এলাকায়। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ১০ জনকে আটক করেছে এবং বিষয়টি তদন্তের আওতায় নিয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানিয়েছে, সকাল ১১টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের মইজ্জারটেক সংলগ্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুই ট্রাফিক সার্জেন্ট ও পাঁচজন কনস্টেবল। অভিযানের সময় তারা একটি নম্বরহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে থামানোর সংকেত দেন। সেই মুহূর্তে স্থানীয় আরও ১০ থেকে ১৫ জন অটোরিকশা চালক হঠাৎ ট্রাফিক পুলিশের ওপর হামলা চালান। পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে চালকদের মধ্যে হাতাহাতি হয়।

এই সংঘর্ষে সার্জেন্ট ইমতিয়াজ শাহরিয়ার ও কনস্টেবল সালাউদ্দিন আহত হন। তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। সার্জেন্ট ইমতিয়াজ শাহরিয়ার বলেন, “নিয়মিত অভিযানের সময় উল্টো পথে চলাচলকারী একটি নম্বরহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশা আটক করি। সঙ্গে সঙ্গে আশেপাশের অন্যান্য চালকরা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কর্ণফুলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আকাশ মাহমুদ বলেন, “অভিযান এখনও চলমান রয়েছে। হামলার সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন। আমরা নিশ্চিত করছি, কেউই আইনশৃঙ্খলার বাইরে থাকবে না।”

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ট্রাফিক পুলিশের অভিযান এলাকায় সাধারণ নিয়ম ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য হলেও কিছু অনিয়মিত চালক এই ধরনের হিংসাত্মক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। পুলিশ বলেছে, ভবিষ্যতে আরও কঠোর অভিযান চালানো হবে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্রাফিক ব্যবস্থায় নজরদারি বৃদ্ধি করা হবে।

ঘটনা সংক্ষিপ্ত তথ্য :

বিষয়বিবরণ
তারিখ ও সময়রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, সকাল ১১টা
স্থানমইজ্জারটেক, কর্ণফুলী, চট্টগ্রাম
ঘটনাট্রাফিক পুলিশের ওপর সিএনজিচালিত অটোরিকশারচালকদের হামলা
আহত পুলিশ সদস্যসার্জেন্ট ইমতিয়াজ শাহরিয়ার, কনস্টেবল সালাউদ্দিন
আটক সন্দেহভাজন১০ জন
পুলিশি মন্তব্যমামলা প্রক্রিয়াধীন, অভিযান চলমান
মূল ঘটনানম্বরহীন সিএনজি আটক করার সময় স্থানীয় চালকদের হামলা

এ ধরনের ঘটনা ট্রাফিক ব্যবস্থায় অনিয়ম রোধের প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। পুলিশ জানিয়েছে, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা পুনরায় না ঘটে।