কতো বড় বেঈমান ও অমানবিক হলে খালেদা জিয়া ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বুধবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। তিনি বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, যাদের জন্ম ভোটচুরির মাধ্যমে, তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে কেউ কেউ চায়, এখানে তাদের পদলেহনকারী সরকার আসুক। বড় দেশ সব জায়গায় মোড়লিপনা করে থাকে। কয়েকটি দেশ বন্ধু হলে আর শত্রু লাগে না। তারা চায় পদলেহন করবে, এদেশে এমন সরকার আসুক।
তিনি বলেন, এরা ইউক্রেনের বন্ধু হয়েছিল, আজ ইউক্রেনের অবস্থাটা কী দাঁড়িয়েছে? ইউক্রেনের মেয়েরা, বাচ্চারা আজকে কষ্ট পাচ্ছে। এমনই বন্ধুত্ব, সেই বন্ধুত্বের কারণে তাদের দেশও শেষ। সেখানে নারী-শিশু, তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে।
কতো বড় বেঈমান ও অমানবিক হলে খালেদা জিয়া ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন করতে পারে: প্রধানমন্ত্রী
নাম উল্লেখ না করেই বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে তৎপর দেশগুলোকে ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী কিছু আছে, কয়েকটি দেশ, তারা নাকি খালি গণতন্ত্র খুঁজে বেড়ায়। আজ আমাদের শুনতে হয়, তারা গণতন্ত্রের খোঁজ করে, ভোটের অধিকার খোঁজ করে। এই ভোটের যে অবস্থা ছিল, সেটা তো তারা দেখেনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা মানবাধিকার, গুম-খুনের কথা বলে। আমার বাবা-মায়ের হত্যাকারী সেই খুনি রাশেদ এখনও আমেরিকায়। বার বার অনুরোধ করি যে তাকে ফেরত দেন, কারণ আমার দেশের বিচার ব্যবস্থায় সে সাজাপ্রাপ্ত। সেখানে তাদের হাত দেওয়ার কী অধিকার আছে? এই খুনিকে তারা লালনপালন করে কেন? আরেকজন নূর, সেই নূর তো এখন কানাডায়। তাদের তারা ফেরত দেয় না।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে অবদান রেখেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের উদ্যোগেই আমরা মহাজোট করি। আমাদেরই প্রস্তাব ছিল ছবিসহ ভোটার তালিকা, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, নির্বাচন স্বচ্ছ করা। আইন করে নির্বাচন কমিশন আমরা করেছি। নির্বাচন কমিশনকে অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ স্বাধীন করে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনকে স্বচ্ছ করা, জনগণের ভোটের অধিকার, ভাতের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছে আওয়ামী লীগ। রক্ত দিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। রক্ত দিয়েই এই অধিকার আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি।
