মৃত্যুর দশ বছর পর, স্টোন টেম্পল পাইলটসের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী স্কট ওয়েইল্যান্ডের অপ্রকাশিত গান “If I Could Fly” তাঁর আর্কাইভ থেকে প্রকাশিত হয়েছে। গানটি মূলত ২০০০ সালে লেখা হয়েছিল, ওয়েইল্যান্ডের ছেলে নোয়া জন্মের পর। এই গানটি প্রথমবারের মতো দর্শকের সামনে আসে রেকর্ড স্টোর ডে ব্ল্যাক ফ্রাইডে, এবং বর্তমানে এটি বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে সহজলভ্য।
ওয়েইল্যান্ডের দল সংবাদ প্রকাশ করে বলেছেন,
“এটি ভক্তদের জন্য বিশেষ একটি উপহার—স্কটের রেখে যাওয়া প্রথম অপ্রকাশিত গান। এটি তাঁর ব্যক্তিগত অনুভূতির এক মূল্যবান দলিল।”
গানটির কোরাসে স্পষ্টভাবে ওয়েইল্যান্ড তাঁর ছেলের প্রতি স্নেহ ও ভালোবাসার কথামালা ব্যক্ত করেছেন। দল আরও মন্তব্য করেছে,
“স্টোন টেম্পল পাইলটস থেকে ভেলভেট রিভলভার—স্কটের ক্যারিয়ার অসাধারণ সাফল্যে ভরা। তবে এই ধরনের ব্যক্তিগত গানগুলোই তাকে ভক্তদের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত রাখে।”
ওয়েইল্যান্ড ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ট্যুর চলাকালে মাত্র ৪৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। এই খবর তখন ফেসবুক পেজ এবং তাঁর ম্যানেজার নিশ্চিত করেন।
নিচের টেবিলে স্কট ওয়েইল্যান্ডের “If I Could Fly” গান ও জীবনের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরা হলো:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| গানটির নাম | If I Could Fly |
| লেখা সাল | ২০০০ |
| লেখা প্রসঙ্গ | ছেলে নোয়ার জন্মের পর |
| প্রকাশের সাল | ২০২৫ (মৃত্যুর ১০ বছর পর) |
| প্রথম প্রকাশ | রেকর্ড স্টোর ডে ব্ল্যাক ফ্রাইডে |
| বর্তমানে উপলব্ধ | স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে |
| শিল্পী | স্কট ওয়েইল্যান্ড |
| প্রাক্তন ব্যান্ড | স্টোন টেম্পল পাইলটস, ভেলভেট রিভলভার |
| মৃত্যু | ২০১৫ সালের ডিসেম্বর, বয়স ৪৮ |
| গানটির বিষয়বস্তু | ছেলের প্রতি স্নেহপূর্ণ অনুভূতি |
গানটির প্রকাশ ভক্তদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি করেছে। অনেকেই এটিকে স্কটের ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল দিকের একটি দরজা হিসেবে দেখছেন, যা তাঁর বড় ব্যান্ড সাফল্যের চেয়ে ভিন্ন, গভীরভাবে হৃদয় স্পর্শ করে।
এই অপ্রকাশিত গানটির মাধ্যমে ওয়েইল্যান্ডের ভক্তরা আবারও তাঁর কণ্ঠ ও সৃজনশীলতার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারছেন। এটি প্রমাণ করে যে, স্কট ওয়েইল্যান্ড শুধু ব্যান্ডের একটি আইকনই নয়, একজন মানুষ যার অনুভূতি ও প্রেম ভক্তদের সাথে চিরকাল বেঁচে থাকবে।
