সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় অর্জন করে তৃতীয় ইস্পাহানি–প্রথম আলো আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে উত্তেজনার পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (BUBT), ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স এবং ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি প্রথম ম্যাচেই বিদায় নিয়েছে।
সাভারের বিরুলিয়ার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মাঠে আয়োজিত দিনের তিনটি ম্যাচের মধ্যে দুটি ম্যাচই টাইব্রেকারে শেষ হয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল দিনের প্রথম ও শেষ ম্যাচের পেনাল্টি শুটআউটের উত্তেজনা, যা দর্শকদের মাঝে অতুলনীয় উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
শেষ ম্যাচে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির লড়াই ছিল পুরো ৭০ মিনিট গোলশূন্য। টাইব্রেকারে ব্র্যাক ৪–২ ব্যবধানে জয়ী হয়। দলে খেলেছেন রুয়ান্ডার শিক্ষার্থী থিয়েরি সিমিউমুকিজা, এবং ম্যাচসেরা হয়েছেন ব্র্যাকের মিডফিল্ডার ও সহ-অধিনায়ক ওয়াসি ইতমাম আঞ্জুম।
অপরদিকে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় দলের খেলোয়াড় কিরণ অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও জয় অর্জন করে। বিশেষ করে, ওয়াদুদ আহমেদ সিজান ম্যাচের দ্রুততম গোল করেছেন, যা মাত্র ১৭ সেকেন্ডে এসেছে।
দিনের প্রথম ম্যাচে সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির লড়াইও টাইব্রেকারে শেষ হয়। গোলকিপার জয় চক্রবর্তী দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ৪–২ ব্যবধানে জয়ী করেছেন।
ম্যাচের পর জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলি এবং ইস্পাহানি টি লিমিটেডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এমিলি বলেন, “সব ম্যাচই অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবলকে এগিয়ে নিতে এই আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
আজকের ম্যাচের ফলাফল
| দল | ফলাফল (টাইব্রেকারের পরে) |
|---|---|
| বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি | ১ (২) |
| সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় | ১ (৪) |
| জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় | ৩ |
| ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স | ১ |
| ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় | ০ (৪) |
| ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি | ০ (২) |
এভাবে আজকের দিনটি দর্শক ও শিক্ষার্থীদের জন্য এক উত্তেজনাপূর্ণ ফুটবল উৎসব হিসেবে রেকর্ডে নাম লেখিয়েছে। প্রতিটি ম্যাচে খেলোয়াড়রা কৌশল, ধৈর্য ও সমন্বয়ের নজির স্থাপন করেছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবলের মান আরও উঁচুতে নিয়ে যাবে।
