আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৪৫২তম পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক মঙ্গলবার ব্যাংকের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যাংকের প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সভার সভাপতিত্ব করেন খাজা শাহরিয়ার, চেয়ারম্যান, পরিচালনা পর্ষদ। বৈঠকটি ব্যাংকের সামগ্রিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ও পরিচালনাগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রীয় মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
সভায় ব্যাংকের আর্থিক স্বাস্থ্য, পরিচালনাগত উন্নয়ন এবং নীতিমালা মেনে কার্যক্রম পরিচালনার অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হয়। বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক প্রবণতা, কর্পোরেট গভর্নেন্স শক্তিশালীকরণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য নতুন নীতিমালা অনুমোদনের ওপর। পাশাপাশি গ্রাহক-কেন্দ্রিক ব্যাংকিং, সেবার কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ এবং শাখা পরিচালনার দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়গুলো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।
পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের তালিকা নিম্নরূপ:
| নাম | পদবী |
|---|---|
| খাজা শাহরিয়ার | চেয়ারম্যান, পরিচালনা পর্ষদ |
| মো. শাহিন উল ইসলাম | পরিচালক |
| মো. আব্দুল ওয়াদুদ | পরিচালক |
| প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ | পরিচালক |
| মোহাম্মদ আসরাফুল হাসান FCA | পরিচালক |
| মোহাম্মদ রাফাত উল্লাহ খান | ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা |
| মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান FCA | কোম্পানি সচিব (অস্থায়ী) |
| সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা | বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থাপনা পদে দায়িত্বশীল |
সভায় মূল আলোচনা কেন্দ্রিত ছিল ব্যাংকের টেকসই বৃদ্ধি এবং শারিয়াহ-অনুকূল ব্যাংকিং নীতি মেনে কৌশলগত উদ্যোগ গ্রহণ। বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়:
ডিজিটাল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্মের সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ
বাজার সম্প্রসারণ এবং নতুন শাখা ও সেবা কেন্দ্র স্থাপন
শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মূল্য বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ আকর্ষণ
ইসলামিক ব্যাংকিং খাতে নেতৃত্ব এবং বাজারে অবস্থান সুসংহতকরণ
সভা শেষে খাজা শাহরিয়ার উল্লেখ করেন, “ধারাবাহিক কার্যকারিতা মূল্যায়ন এবং প্রো-অ্যাকটিভ নীতি গ্রহণ ব্যাংককে দ্রুত পরিবর্তিত আর্থিক পরিবেশে দৃঢ় রাখার জন্য অপরিহার্য। আমরা গ্রাহক-কেন্দ্রিক, নৈতিক ও উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সমাধান প্রদানের পাশাপাশি ইসলামিক আর্থিক নীতির প্রতি কঠোরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
এই বৈঠক ব্যাংকের নেতৃত্বকে আধুনিক ব্যাংকিং মানদণ্ড, নিয়ন্ত্রক প্রয়োজনীয়তা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দীর্ঘমেয়াদি স্টেকহোল্ডার আস্থা অর্জনের জন্য নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে মূল্যবান ভূমিকা রাখে।
