আর্টবক্স মিউজিক: বাংলা সংগীতে নতুন অধ্যায়

বাংলা সংগীত জগতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল আর্টবক্স মিউজিক (ArtBox Music)। প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রথম প্রযোজনা হিসেবে সম্প্রতি প্রকাশ করেছে ‘চুপিচুপি’ শিরোনামের একটি মিউজিক ভিডিও, যা আনুষ্ঠানিকভাবে আর্টবক্স মিউজিক-এর যাত্রার সূচনা চিহ্নিত করেছে।

প্রতিষ্ঠার কর্ণধার ডা. সম্পা দেওয়ান, যিনি পেশায় চিকিৎসক হলেও সংগীতের প্রতি তার অনুরাগ দীর্ঘদিনের, এই উদ্যোগের মূল প্রেরণা। জানা গেছে, সম্পা ইতিমধ্যেই নিজের কণ্ঠে গাওয়া প্রায় ৫০টির মতো গান ভিডিও আকারে প্রস্তুত করেছেন এবং ধাপে ধাপে এগুলো প্রকাশিত হবে। তার লক্ষ্য কেবল নিজের সৃজনশীল কাজ নয়, বরং উদীয়মান বাংলা গানের শিল্পীদের জন্য একটি পেশাদার ও সৃজনশীল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, আর্টবক্স মিউজিক নতুন কণ্ঠশিল্পীদের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি মানসম্মত অডিও-ভিডিও প্রযোজনার মাধ্যমে বাংলা সংগীতাঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চায়।

প্রথম প্রযোজনার মূল তথ্য

বিষয়বিবরণ
গান শিরোনামচুপিচুপি
গীতিকার ও সুরকাররোহান রাজ
সংগীত পরিচালকপলাশ ফারুকী
ভিডিও পরিচালকসৌমিত্র ঘোষ ইমন
মডেলসৌরভ, রেশমি
প্রকল্প তত্ত্বাবধায়কএস কে সমীর
প্রকাশের ধরনমিউজিক ভিডিও

সম্পা দেওয়ান বলেন,
“আর্টবক্স মিউজিক শুধুমাত্র একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি স্বপ্নের বাস্তব রূপ। আমি দীর্ঘদিন ধরে সংগীতচর্চা করছি এবং আমার গাওয়া ৫০টির মতো গান পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা হবে। আমরা নতুন শিল্পীদের নিয়েও ধারাবাহিকভাবে কাজ করব।”

ভবিষ্যতের পরিকল্পনা

প্রতিষ্ঠানটি কেবল গানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; নাটক ও ড্রামা নির্মাণেও সম্প্রসারণের লক্ষ্য রয়েছে। মানসম্মত গল্প, চিত্রনাট্য ও নির্মাণশৈলীর মাধ্যমে বিনোদন জগতে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।

ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর এস কে সমীর বলেন,
“আমরা উদীয়মান তরুণ কণ্ঠশিল্পীদের প্রাধান্য দিয়ে নিয়মিতভাবে অডিও-ভিডিও কনটেন্ট প্রযোজনা করছি। নাটক ও ড্রামা নির্মাণও ধাপে ধাপে শুরু করেছি। খুব শীঘ্রই আমাদের ড্রামা চ্যানেল আত্মপ্রকাশ করবে।”

প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য শ্রোতাদের হৃদয়ে ‘চুপিচুপি’ গানটি জায়গা করে নেওয়া এবং আর্টবক্স মিউজিক-এর যাত্রা দীর্ঘস্থায়ী ও সফল করা। সংগীতপ্রেমীদের জন্য এটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে এবং বাংলা সংগীতাঙ্গলে একটি পেশাদার ও সৃজনশীল পথচলার সূচনা করেছে।

এভাবে, আর্টবক্স মিউজিক বাংলা সংগীতের নতুন দিগন্তে দম্প্রতিষ্ঠার পথিকৃত হয়ে উঠেছে, যেখানে প্রতিভাবান নতুন কণ্ঠশিল্পীরা তাদের সৃজনশীলতা উদ্ভাবনের সুযোগ পাচ্ছেন।