যুদ্ধবিরতির চুক্তির অংশ হিসেবে আরও দুই ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ ফেরত দিয়েছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে দুটি কফিনে করে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়।
তবে হামাস এখনো জানায়নি এই মরদেহ দুটি কোন কোন জিম্মির। রাতেই আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটির (ICRC) কর্মকর্তাদের কাছে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়। এরপর রেডক্রসের তত্ত্বাবধানে মরদেহগুলো গাজায় অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ মরদেহগুলোকে পরিচয় শনাক্তের জন্য তেলআবিবের আবু কবির ফরেনসিক ইনস্টিটিউটে পাঠায়।
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, মরদেহগুলোর পরিচয় নিশ্চিত করতে দুই দিন বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। তবে অতীতে হামাসের কাছ থেকে প্রাপ্ত মরদেহগুলোর ক্ষেত্রে আবু কবির ইনস্টিটিউট এক দিনেরও কম সময়ে শনাক্তকরণ সম্পন্ন করেছে।
| বিষয় | তথ্য |
| মরদেহ হস্তান্তরের তারিখ | শনিবার, ১৮ অক্টোবর |
| মধ্যস্থতাকারী সংস্থা | আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি (ICRC) |
| গন্তব্য | আবু কবির ফরেনসিক ইনস্টিটিউট, তেলআবিব |
| শনাক্তকরণ সময় | আনুমানিক ২ দিন (বা তারও বেশি) |
এই দুই মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হলে, হামাসের পক্ষ থেকে ইসরায়েলকে হস্তান্তর করা মোট মরদেহের সংখ্যা দাঁড়াবে ১২ জনে। এতে করে হামাসের কাছে আরও ১৬টি মরদেহ অবশিষ্ট থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে গত সপ্তাহে হামাস দাবি করেছিল যে, তাদের কাছে থাকা সব জিম্মির মরদেহ ইতিমধ্যেই ফেরত দেওয়া হয়েছে। তারা জানিয়েছিল, বাকিদের খুঁজে পেতে সময় লাগবে এবং এর জন্য অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন হবে।
দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু শনিবার বলেন, “সব জিম্মির মরদেহ ফেরত পাওয়া এবং হামাসকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র করার মাধ্যমেই এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে।”
অন্যদিকে, হামাস জানিয়েছে, তারা রাইফেলের মতো প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্রসমূহ কখনোই সমর্পণ করবে না।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
