নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার সোমবার (২ ডিসেম্বর) জানিয়েছেন, আচরণবিধি ভঙ্গের প্রমাণ মিললেই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হবে, এবং কাউকে শোকজ করার নিয়ম অনুসরণ করা হবে না।
এই সতর্কবার্তা তিনি প্রদান করেন বন্দর উপজেলার সায়রা গার্ডেনে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের চ্যালেঞ্জ নিরূপণ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায়।
কমিশনার জানান, নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কাজের কোনো ধরনের গাফিলতি সহ্য করা হবে না। প্রয়োজন হলে জরিমানা বা কারাদণ্ডসহ সব ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে পোস্টার অপসারণ এবং সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা তদারকিতে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল কাজ করবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের সমন্বয়ে তারা যে কোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেন।
কর্মশালায় উপস্থিত গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা
| পদবি | নাম |
|---|---|
| নির্বাচনি কমিশনার | মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার |
| নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট মহাপরিচালক | মো. হাসানুজ্জামান |
| নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক | মো. রায়হান কবির |
| জেলা পুলিশ সুপার | মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী |
| উপসচিব | মো. মোস্তফা হাসান |
| আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা | ইউনুচ আলী |
কমিশনার আরও জানান, ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় কর্মকর্তাদের চ্যালেঞ্জ ও সমস্যা নিরূপণ করে তাদের প্রশিক্ষণ ও সমর্থন নিশ্চিত করা হচ্ছে। এটি নির্বাচনের স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তিনি অভিব্যক্তি করেন যে, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন বা ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যাহত করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে প্রার্থীরা বুঝতে পারবেন যে, নির্বাচন কমিশন কোনও ছাড় দেবে না এবং দেশের জনগণের মৌলিক ভোটাধিকার রক্ষার নিশ্চয়তা দেবে।
কর্মশালার মাধ্যমে প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রক্রিয়া, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, আচরণবিধি মেনে চলা এবং আইনগত দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা উ
