অনলাইনে আমের প্রি-অর্ডার প্রায় ৯ কোটি টাকার। অনলাইন ভিত্তিক বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও শীর্ষ সংগঠনের নের্তৃবৃন্দের সাথে রোববার (৭ মে) আলোচনা করে এ তথ্য জানা যায়।
ব্যবসায়ীরা জানান, রসালো ফলের মধ্যে আম, লিচু এবং কাঁঠাল সারাদেশের বাজারে আসতে শুরু করেছে। অনলাইনে এসব ফলের চাহিদাও ভালো। তারা অনলাইনে বেচা-কেনা আম ব্যবসায়ীরা এখন ই-কমার্স পোর্টাল, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, ইমো এবং ফোন কলের মতো একাধিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যাবহার করছেন। সারাদেশের মধ্যে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সাতক্ষীরা ও দিনাজপুরের আম আগে পাকে। এখন এসব আম সব জায়গায় পাওয়া যাচ্ছে।

অনলাইনে আমের প্রি-অর্ডার প্রায় ৯ কোটি টাকার
এবছর কত অর্ডার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এ প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, প্রায় ১০৫৫ টন সর্বনিম্ন আম বিক্রি হবে।
তিনি জানান, সামনের মাস থেকে আমের প্রি-অর্ডার আরও বেড়ে যাবে।ফজলি ডটকমের মালিক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক আবদুল্লাহ বলেন, আমের অর্ডার ও ডেলিভারি শুরু করেছি।
তিনি বলেন, ‘আমরা ঢাকার ৫২টি স্থানে আমাদের নিজস্ব পরিবহনে নগদ-অন ডেলিভারির ভিত্তিতে আম সরবরাহ করছি। পাশাপাশি ৬২টি জেলা থেকে অগ্রিম অর্থ প্রদানের জন্য অনলাইন অর্ডার নিচ্ছি এবং কুরিয়ারের মাধ্যমে সরবরাহ করছি।’

রাজশাহীর স্থানীয় এক আম ব্যবসায়ী আশিক আবদুল্লাহ বলেন, আমরা বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যেমন ফজলি ডট কম, রাজশাহীম্যাঙ্গো ডট কম, আমবাজার ডট কম, পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ফেসবুক পেজ, গ্রুপ, ইউটিউব চ্যানেল এবং নিজস্ব মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সর্বাধিক সংখ্যক গ্রাহকদের সেবা দেয়ার চেষ্টা করছি।
আশিক আবদুল্লাহ বলেন, আমের সব অনলাইন বিক্রেতার কিছু নিজস্ব গ্রাহক রয়েছে এবং তাদের জন্য বিশেষ প্যাকেজিং, ছাড় এবং সম্ভাব্য সর্বোত্তম পরিষেবা দেয়া হয় যাতে ভবিষ্যতে আরও বড় ডিল হয়।
বিক্রেতারা জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর আমের দাম জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহের দিকে কমে কারণ সে সময় বেশিরভাগ আম পেকে যায়।